প্রচন্ড গরমে রংপুর চিড়িয়াখানার প্রাণিদের হাঁসফাঁস অবস্থা

প্রচন্ড গরমে রংপুর চিড়িয়াখানার প্রাণিদের হাঁসফাঁস অবস্থা

রংপুর জেলা প্রতিনিধি: অসহনীয় গরম চলছে রংপুর অঞ্চলে। তীব্র গরমে মানুষের মতো হাঁসফাঁস অবস্থা রংপুর চিড়িয়াখানার প্রাণিগুলোরও। সীমাহীন কষ্টে আছে খাঁচাবন্দি পশুপাখি। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, তাপদাহ থেকে রক্ষায় সতর্কতা হিসাবে খাবারের তালিকায় নতুন খাবার ছাড়াও দেয়া হচ্ছে ভিটামিন। দর্শনার্থীরা বলছেন, এমন গরমে প্রাণিকূলের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। চলতি মৌসুমে রংপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে প্রাণিদের কেউ পানির পাত্রে কেউ বা জলাশয়ে ডুবে আছে, কেউ হা করে বাতাস খাচ্ছে আবার কেউ বা নিজের মতো করে আরাম খুঁজছে গাছের ডালে বসে বা শেডের গ্রিলে ঝুলে। তাপমাত্রা সাধারণত ৩০ ডিগ্রি পার হলেই প্রাণিকুলের হাঁসফাঁস অবস্থা শুরু হয়। সেখানে ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় প্রাণিকূল ছটফট করে। ঈদের দিন থেকেই চলছে ভ্যাপসা গরম।

ঝলমলে আকাশে রোদের ঝিলিক। তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। ছাতা ছাড়া বাইরে বের হওয়াটা যেন অসহনীয়। ঈদ আনন্দে মাতোয়ারা শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত। সাথে বেরিয়েছেন অভিভাবকরাও। অসহনীয় গরমে ছটফট করা প্রাণিদের রক্ষায় রংপুর চিড়িয়াখানায় ঘনঘন স্যালাইন খাওয়ানো হচ্ছে। ভিজিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফ্লোর ও প্রাণিকূলের গা।

চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী এস এম খলিল বাবু বলেন, মানুষের মতো প্রাণিগুলোও হাঁসফাঁস করছে। তাদের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। চিড়িয়াখানার ইজারাদার হযরত আলী বলেন, প্রচন্ড গরমে মানুষের যেমন অস্বস্তি হচ্ছে তেমনি প্রাণিদেরও অস্বস্তি হচ্ছে।

এ অবস্থায় প্রাণিদের গোসল করানো হচ্ছে। পাশাপাশি খাঁচা সব সময় পরিষ্কার করাসহ পানিতে ভিজিয়ে দেয়া হচ্ছে। রংপুর চিড়িয়াখানার ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর ডা : নাজমুল হুদা জানান, এই চিড়িয়াখানাটি সবুজে ঘেরা থাকায় কোন প্রাণির এখন পর্যন্ত সমস্যা হয়নি। তারপরও স্যালাইন পানি, ভিটামিন দেয়া অব্যাহত রয়েছে। প্রাণি চিকিৎসকরা মনিটরিং করছেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/170919