শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের অবিস্মরণীয় প্রতীক: রাষ্ট্রপতি
শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক অবিস্মরণীয় নাম।
শুক্রবার (২৯ মে) এক তথ্যবিবরণীতে রাষ্ট্রপতির বাণী প্রকাশ করা হয়। বাণীতে তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে শহিদ হন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে স্বাধীনতার ঘোষণা ও জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথাও বাণীতে তুলে ধরা হয়।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্যের সময়ে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তিনি বলেন, কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার পরিকল্পনা, গণশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে শহিদ জিয়ার অবদান অনন্য। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচিকে একটি আত্মনির্ভর ও উৎপাদনমুখী বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে শহিদ জিয়ার উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে জীবনযাপন, সততা, দেশপ্রেম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মহান আল্লাহর দরবারে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করার প্রার্থনা জানান।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/170644