দিনাজপুরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুহাট

দিনাজপুরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুহাট

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। শেষ মুহূর্তে দিনাজপুরের পশুর হাটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত। পছন্দমতো গরু কিনতে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন হাটগুলোতে।

এবার বড় সাইজের গরুর তুলনায় মাঝারি বা ছোট সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। তবে বাজারে ক্রেতারা গরুর দাম বেশি বলে জানাচ্ছেন। অন্যদিকে, গো-খাদ্যের দাম বাড়তি হওয়ায় কিছুটা বেশি দাম রাখতে হচ্ছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। এদিকে হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন এবং প্রাণি সম্পদ বিভাগের মনিটরিং টিমসহ নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

দিনাজপুর জেলার ১৩ উপজেলায় এবার ছোট বড় মিলে ২৬টি স্থায়ী ও ৪২টি অস্থায়ীসহ মোট ৬৮টি পশুর হাটে জমজমাট পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্রেতাই ৬০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যেই গরু খুঁজছেন। কেউ কেউ আবার দেড়লাখ টাকার মধ্যে কোরবানী সেরে দেয়ার জন্য খুঁজছেন পছন্দের পশু। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে এবার গতবারের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি।

অপরদিকে বিক্রেতারা বলছেন, মাঝারি মানের গরুর চাহিদা থাকলেও বড় গরুর ক্রেতা পাওয়া খুব কঠিন। গরু পছন্দ হলেও দাম বেশি চাওযায় ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা। ফলে বড় গরুর বিক্রেতারা পড়েছেন বিপাকে। তারপরও সামর্থবানরা সাধ্যের মধ্যে তাদের কোরবানীর পশু কিনছেন।

দিনাজপুর জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম জানান, জেলায় কোরবানীর জন্য তৈরি রয়েছে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫২৩টি পশু। এরমধ্যে গরু-মহিষ রয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭৯৪টি এবং ছাগল-ভেড়াসহ অন্যান্য ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭২৯টি।  জেলায় মোট পশুর চাহিদা ২ লাখ ৭৩ হাজার ২৬২ এবং উদ্বৃত্ত পশুর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬১টি। যা রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে।

কাহারোল উপজেলা নিবাহী অফিসার মোকলেদা খাতুন মীম বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্ত করার সরঞ্জামসহ ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/170358