পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩

পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩

পাবনা প্রতিনিধি: নির্মাণাধীন পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও নিরাপত্তাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।

গ্রেফতারকৃত তিনজন হলো, পাবনা পৌর সদরের সাধুপাড়া ঝুটপট্টি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মাসুদ রানা ওরফে কিলার মাসুদ(৩৫), একই এলাকার মৃত রুস্তম আলির ছেলে সজল আলি(৩২) ও মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে নকশাল ইসমাইল(৩৫)।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান। মামলার বরাত দিয়ে তিনি জানান, হেমায়েতপুরে আড়াইশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সম্প্রতি কাজের সাইটে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রফিজ উদ্দিনের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে অভিযুক্তরা। তাদের চাঁদা না দেওয়ায় গত মঙ্গলবার বেলা একটায় অভিযুক্তরা তাদের আরো সহযোগিদের নিয়ে নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে।

এ সময় তাদের বাধা দিলে নিরাপত্তা কর্মী হাবিবুর ও ইমরানকে বেধরক মারপিট করে। অফিসের ড্রয়ারে থাকা এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসের দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত দুই নিরাপত্তাকর্মীকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশনের পাবনা অফিসের ম্যানেজার রকিবুর রহমান বাদি হয়ে গত বুধবার পাবনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।

পরে পুলিশ সুপার মো: ছুফি উল্লাহর নির্দেশে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) গত বৃহস্পতিবার রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহার নামীয় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান আরো জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/169925