এবার পঞ্চগড় কাঁপাচ্ছে ৪০ মণ ওজনের ‘যুবরাজ’

এবার পঞ্চগড় কাঁপাচ্ছে ৪০ মণ ওজনের ‘যুবরাজ’

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: নাম তার ‘যুবরাজ’। দেখতেও যুবরাজের মত। ৯ ফুট উচ্চতা আর ১১ ফুট দৈর্ঘের যুবরাজের ওজন প্রায় ৪০ মণ। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে বিশালদেহীর ‘যুবরাজ’। ষাঁড়ের মালিক ফ্রিজিয়ান জাতের ওই গরুটির দাম হাকাচ্ছেন ১৫ লাখ টাকা। ষাঁড়টি একজর দেখার জন্য আশপাশের লোকজনসহ দূর দূরান্ত থেকে আসছেন অনেকেই। এ ষাঁড়টি বিক্রির পর ঘরের দেয়াল ভেঙে বের করতে হবে।

পঞ্চগড় পৌর এলাকার কাগজিয়া পাড়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবুল কাশেম ‘শিশির দুগ্ধ’ খামারে যুবরাজকে লালন পালন করেছেন ষাঁড়টিকে। ষাঁড়টি কেনার জন্য ইতোমধ্যে যোগাযোগ করছেন ব্যাপারিরাও। ষাঁড়টি বিক্রি করে ডিজিটাল খামার করার স্বপ্ন এ খামারির।

খামারি আবুল কাশেম আবু জানান, সেনাবহিনী থেকে ২০১৮ সালে অবসরের পর চারটি গরু দিয়ে খামার কাগজিয়া পাড়া গ্রামে ‘শিশির দুগ্ধ’ খামার শুরু করেন। ২০২১ সালে ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়ের বীজে যুবরাজের জন্ম নেয় তার খামারে। সখ করে নাম রাখেন ‘যুবরাজ’।

প্রতিদিন প্রায় ২০ কেজি দানাদার খাদ্য খেয়ে পাঁচ বছর ধরে লালন পালন করছেন তিনি। কোন মোটাতাজাকরণের খাদ্য দেয়া হয়নি। এই কোরবানিতেই ‘যুবরাজ’ বিক্রি হবে বলে আশা আবুল কাশেমের। ষাঁড় বিক্রির টাকায় ডিজিটাল খামার করার স্বপ্ন দেখছেন খামারি আবুল কাশেম।

কাগজিয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, এক্স আর্মি আবুল কাশেম আমাদের গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। এত বড় গরু তার বাড়িতে ছিল তা আমাদের জানা ছিল না। আমাদের বাড়িতেও খামার করার মত ঘর রয়েছে। আমিও চেষ্টা করছি তার মত একটি খামার গড়ে তোলার।

পঞ্চগড় সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মরিয়ম রহমান জানান, যুবরাজকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ষাঁড় লালন পালনে প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে খামারিকে সকল ধরণের সহযোগিতা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পঞ্চগড়ের প্রেক্ষাপটে গরু পালন একটি লাভজনক পেশা।

অন্যান্য কাজের পাশাপাশি অনায়াশেই গরু লালন পালন করা সম্ভব। নারীরাও এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। অল্প জায়গার মধ্যে ঘর তুলে অনেকেই গরুর খামার গড়ে তুলতে পারেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/169349