দাফনের সময় ছবি ও কবর না দেখানোর অনুরোধ করলেন কারিনার মা

দাফনের সময় ছবি ও কবর না দেখানোর অনুরোধ করলেন কারিনার মা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মরদেহ দাফনের সময় ওই ছবি ও কবরের দৃশ্য না দেখানোর জন্য অনুরোধ করেছেন তার মা লোপা কায়সার।

আজ রোববার (১৭ মে) বিকেলে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বাসার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় এ অনুরোধ জানান কারিনার মা।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকসহ অন্যান্যরা ছবি ও ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাদের সবাইকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানান লোপা কায়সার।

কারিনার মা বলেন, আমরা চাই না মরদেহ দাফনের সময় ছবি ও কবর দেখানো হোক। এসব আমাদের ধর্মের পরিপন্থি। আপনারা সবাই দোয়া করবেন ওর জন্য, ওর জানাজায় অংশ নিন।

এদিন বিকেলে কারিনার মরদেহবাহী ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। মরদেহ গ্রহণের পর বিমানবন্দর থেকে বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। এ সময় কফিন দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এদিন বাদ মাগরিব বনানী ডিওএইচএস মসজিদে কারিনার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও অন্যান্য স্থানে জানাজা হবে তার। এরপর সোমবার (১৮ মে) মুন্সিগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে।

এর আগে গত ১৫ মে রাতে লিভার-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে চেন্নাইয়ের ভেলোরে অবস্থিত খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় কারিনার। এরও আগে গত ৮ মে রাত থেকে দেশে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন কারিনা।

পরিস্থিতি ভালো না হওয়ার কারণে দেশের বাইরে নেয়ার পরিকল্পনা করে তার পরিবার। পরে ১১ মে রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চেন্নাই নেয়া হয় তাকে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুরুতে জ্বর হয় কারিনার। পরে শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় কারিনাকে।

প্রসঙ্গত, হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট ক্রিয়েটের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে খ্যাতি লাভ করেন কারিনা। অভিনয়ও করেছেন। পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে। তার কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/169324