সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য চালু হচ্ছে বিশেষ কল্যাণ কার্ড: সংস্কৃতি মন্ত্রী
সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালু করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী । সংস্কৃতিকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতেই সরকার এ উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
এছাড়া দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। কারণ, ঐতিহ্য রক্ষা মানেই জাতির শেকড়কে সুরক্ষিত রাখা।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ মে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধ পাঠ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই চন্দ্র রায়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “তিনি বলেন, “সংস্কৃতি কর্মীদের জন্য বিশেষ কল্যাণ কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে তাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসতে পারেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কারণ, ঐতিহ্য রক্ষা মানেই জাতির শেকড়কে সুরক্ষিত রাখা।”
জাতি ও জাতিস্বত্তার বিকাশের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়; সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়, চেতনা ও সভ্যতার ভিত্তি। যে জাতি তার সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারে না, সে জাতি ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় টিকে থাকতে পারে না। হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, সহনশীলতা ও মুক্তচিন্তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাদের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে সেই চেতনাকেই বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।”
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/168999