কলকাতা হাইকোর্টে মমতাকে দেখে আইনজীবীদের চোর চোর স্লোগান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এবার কলকাতা হাইকোর্টে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে হাইকোর্টের আইনজীবীরা ‘চোর চোর এবং জিহাদি মমতা চলে যা’ বলে স্লোগান দিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট চত্বরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সামাল দিতে হাজির হয় কলকাতা পুলিশ।
পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ভোট পরবর্তী সহিংসতার শিকার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা। কোথাও দলীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের ওপর হামলার ছবিও ধরা পড়েছে। এখনো বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মী ঘর এবং রাজ্য ছাড়া।
এই সংক্রান্ত একটি মামলা কলকাতা হাইকোর্টে করা হয়েছিল। মামলাটি দাখিল করেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তথা আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানিতে অংশ নিতে আইনজীবীর কালো পোশাক পরে কলকাতার হাইকোর্টের এজলাসে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।
শুনানি শেষে মমতা যখন হাইকোর্টের মূল প্রবেশদ্বার দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন তখন সেখানে উপস্থিত আইনজীবীরা মমতাকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন। এছাড়া ‘জিহাদি মমতা চলে যাও’ এমন স্লোগানও দিতে শোনা যায়।
মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কলকাতা হাইকোর্টে কর্তব্যরত অবস্থায় থাকা কলকাতা পুলিশ কর্মীদের হিমশিম খেতে হয়।
স্লোগান এবং ভিড়ের ধাক্কায় রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে কোর্ট চত্বর থেকে বের করে নিয়ে যেতে রীতিমতো লড়াই করতে হয় পুলিশ কর্মীদের।
মমতা ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দেওয়ার সময় মমতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন প্রধান বিচারপতির এজলাসে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/168932