ব্যাংক লুটপাটকারীরা ফিরলে পুরো খাতই বড় ঝুঁকিতে পড়বে, শঙ্কা বিএবির

ব্যাংক লুটপাটকারীরা ফিরলে পুরো খাতই বড় ঝুঁকিতে পড়বে, শঙ্কা বিএবির

ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮(ক) ধারা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। সংগঠনটির আশঙ্কা, অতীতে ব্যাংক দখল, অনিয়ম বা অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আইনের সুযোগ নিয়ে আবারও ব্যাংকের মালিকানা বা পরিচালনায় ফিরতে পারেন, যা পুরো ব্যাংক খাতকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, আইনে থাকা কঠোর শর্তের কারণে অনিয়মে জড়িতদের ফিরে আসার সুযোগ কার্যত নেই।

সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে বিএবির নেতাদের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএবির চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, হা-মীম গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ, পূবালী ব্যাংক-এর চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান, ইউসিবি-এর চেয়ারম্যান শরীফ জহির এবং ব্যাংক এশিয়া-এর চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী

বৈঠকে পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ বা মার্জার নিয়েও আলোচনা হয়। আব্দুল হাই সরকার বলেন, ইতোমধ্যে যেসব ব্যাংক মার্জারের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো থেকে সরে আসার সুযোগ নেই বলে গভর্নর জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে মার্জারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএবি।

এছাড়া বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ করে সম্ভাবনাময় গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলতি মূলধন সহায়তা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান আবার সচল করা যায়।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/168574