বাংলাদেশে তরুণ গল্পকারদের ক্ষমতায়নে তিন বছর পূর্তি উদযাপন করল ভিভো ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ
মফস্বল ডেস্ক : বাংলাদেশে তরুণ গল্পকারদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশে তিন বছর পূর্তি উদযাপন করেছে vivo বাংলাদেশ এবং SOS Children's Villages Bangladesh। এ উপলক্ষে বগুড়ায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার ২০২৬” কর্মসূচি।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য স্মার্টফোনকে আত্মপ্রকাশ ও আত্মবিশ্বাস গড়ার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় শিশুদের ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।
গত তিন বছরে ঢাকা, খুলনা ও বগুড়া জেলায় ৩০০-এর বেশি শিশু এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। এতে তারা ফটোগ্রাফি দক্ষতার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও ডিজিটাল জ্ঞান অর্জন করেছে।
এ বছরের বগুড়া পর্বে অংশগ্রহণকারী শিশুরা ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহার করে ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি ও গল্প বলার প্রশিক্ষণ নেয়। এতে তাদের চারপাশ পর্যবেক্ষণ, সৃজনশীল চিন্তা এবং দৈনন্দিন মুহূর্তকে ভিজ্যুয়াল গল্পে রূপ দেওয়ার দক্ষতা বাড়ে।
৩০ এপ্রিল ও ১ মে দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ছবি ধারণ করে। ২ মে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। এতে শিশুদের তোলা ছবি প্রদর্শন করা হয় এবং তাদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের অভিভাবক ও আলোকচিত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ভিভো বাংলাদেশের সহকারী ব্যবস্থাপক তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, প্রদর্শনীর প্রতিটি ছবিতে শিশুদের তিন বছরের অগ্রগতি ফুটে উঠেছে। তারা শুধু ফটোগ্রাফি শেখেনি, বরং নিজেদের ভাবনা প্রকাশের একটি মাধ্যম খুঁজে পেয়েছে।
অন্যদিকে, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান তানভীর মুরাদ তপু বলেন, অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস ছিল উল্লেখযোগ্য, যা তাদের সৃজনশীল বিকাশকে আরও এগিয়ে নেবে।
এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশের উপ-পরিচালক রাসেল মিয়া জানান, এই কর্মসূচি শিশুদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের অর্জন ও অন্তর্ভুক্তির অনুভূতি তৈরি করেছে।
প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার” কর্মসূচি দেখিয়েছে, কীভাবে ডিজিটাল টুলস শিশুদের শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ক্ষমতায়িত করতে পারে। ভবিষ্যতেও এই উদ্যোগ সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ভিভো বাংলাদেশ।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/167431