চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেল নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে মারধর আটক ৩
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌর খয়রাবাদ এলাকার মেসার্স রায়হান ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে নাচোল থানার কনস্টেবল (ড্রাইভার) শওকত হোসেন (৩০) দু’দফা মারধরের শিকার হয়েছেন। পাম্প মালিক ও বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন আলিমের ছেলে আবদুল্লাহ আল রায়হান(৩৫) প্রথমে নিজে ও পরে পাম্পের কর্মচারীদের সাথে নিয়ে তাকে পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল রোববার দুপুর ১টার দিকে ঘটনার পর অন্য পুলিশ সদস্যরা শওকতকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনায় পুলিশ ৩ পাম্প কর্মচারীকে আটক করেছে। তবে ঘটনার পর জনভোগান্তি এড়াতে পুলিশের তরফ থেকে পাম্পটি চালু রাখতে বলা হলেও তা বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ।
গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নূরে আলম বলেন, কনস্টেবল শওকত পুলিশের গাড়ির জন্য তেল ও মবিল আনতে পাম্পে ঢুকে পুলিশের ইস্যূকৃত স্লিপ ম্যানেজারের কাছে জমা দিয়ে অপেক্ষার সময় রায়হান তাকে বেরিয়ে যেতে বলেন।
এসময় শওকত তার পরিচয় দিয়ে তেল-মবিল নিয়ে বেরিয়ে যাবেন জানালে রায়হান তাকে সজোরে চড় মারেন। পরে আবারও নিজের পরিচয় দিলে রায়হান লাঠি ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে শওকতকে দ্বিতীয় দফায় মারধর করেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ অভিযোগ করেন, বারবার পরিচয় দেয়ার পরও রায়হান কনস্টেবল শওকতকে দু’দফা মারধর করেন। জেলা পুলিশ থেকে ওই পাম্পটি গোমস্তাপুর, নাচোল ও জেলার ভোলাহাট এই তিন থানার পুলিশের গাড়ির জ্বালানির জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। পাম্পে স্লিপ জমা দিয়ে ৩ থানার পুলিশকে জ্বালানি নিতে হয়।
এ ব্যাপারে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি বলেন, পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তাকে অবগত করেছেন। এ ব্যাপারে পাম্প মালিক আশরাফ হোসেন আলিমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/166805