খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শিবগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) উপজেলা পর্যায়ের খেলা উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি শিশুকে খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের মধ্যেও যে প্রতিভা লুকিয়ে আছে, এই ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে তা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়। ভবিষ্যতে এখান থেকেই জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরি হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন-থানা অফিসার ইনচার্জ শাহীনুজ্জামান, শিক্ষা অফিসার কাজী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুল ওহাব, বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলী, আবু তাহের, আনোয়ার ইসলাম মুকুল, মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, পৌর বিএনপি সভাপতি বুলবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, কৃষকদল নেতা জহুরুল ইসলাম ঠান্ডু, তোফায়েল আহম্মেদ সাবু, যুবদল সভাপতি খালিদ হাসান আরমান, সম্পাদক আব্দুল্লাহ জোবায়ের প্রমুখ। টুর্নামেন্টে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক ও বালিকা দল অংশগ্রহণ করে।

এরপর প্রতিমন্ত্রী পৌর এলাকার শব্দলদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, বুড়িগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এবং সিহালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি, সিহালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা, আবর্জনা ও পলিথিন লক্ষ্য করেন।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন অব্যবস্থাপনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে স্থানে শিশু-কিশোররা শিক্ষাগ্রহণ করে, সেই পরিবেশ অবশ্যই পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ হওয়া জরুরি। নোংরা পরিবেশ কখনোই মানসম্মত শিক্ষার সহায়ক হতে পারে না।

এসময় তিনি উপস্থিত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের নির্দেশ দেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।

একই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নসহ পরিবেশগত মান রক্ষাও সমানভাবে নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় তিনি মহাস্থান মাজার এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/166525