রিচির অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক
অভি মঈনুদ্দীন ঃ গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে চয়নিকা চৌধুরীর গল্প ও পরিচালনায় নির্মিত হয় ঈদ বিশেষ টেলিপিল্ম ‘ভালোবাসার অন্য নাম তুমি’। নাটকটি রচনা করেছেন ইফফাত আরেফীন তন্বী।
টেলিফিল্মটির মূল গল্প প্রসঙ্গে দেশের প্রখ্যাত গুনী নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী বলেছিলেন,‘ মানুষ যাকে চায় তাকে পায়না, আবার যাকে পায় তাকে সে চায়না। কিন্তু যাকে পায় আশেপাশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য তাকেই মেনে নেয়, জীবনে মানিয়ে নেবার চেষ্টা করে। এটাই টেলিফিল্মটির মূল গল্প।’
এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন প্রখ্যাত চার অভিনয়শিল্পী ডলি জহুর, শহীদুজ্জামান সেলিম, দীপা খন্দকার ও রিচি সোলায়মান। টেলিফিল্মটি প্রযোজনা করেছে ‘রঙ্গন’ মিউজিকের কর্ণধার মোঃ জামাল হোসেন।
গত ঈদে একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচারের পর এটি ‘রঙ্গন’ এন্টারটেইনম্যান্ট ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারে আসে গত ১৩ এপ্রিল। ইউটিউবে আসার পরেই দর্শকের মধ্যে ভীষণ সাড়া ফেলেছে টেলিফিল্মটি। নাটকে শহীদুজ্জামান সেলিমের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রিচি সোলায়মান। পেশাগত কারণে তাকে ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামে থাকতে হয়। সেলিমের মা ডলিজহুরকে দেখভালোর দায়িত্ব বর্তায় দীপা খন্দকারের উপর। কিন্তু ঢাকার বাইরে থেকে ঘরে প্রবেশ করেই দেখা হয় পুরোনো প্রেমিকা দীপার সঙ্গে সেলিমের। সিসি ক্যামেরায় একসময় রিচি বুঝতে পারে সেলিম ও দীপার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। নিজের স্বামীর অতীত জেনে রিচি ভেঙ্গে পড়েন। স্বামীকে কিছু বুঝতে না দিয়ে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ার এই অভিনয়টুকু রিচি এতো নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা দর্শক হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
বিশেষত যেসব নারীর জীবনে এমন ঘটনা ঘটেছে তাদের কাছে রিচির চরিত্রটি বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। শুধু তাই নয় একজন দীপা খন্দকারও তার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন। যথারীতি ডলি জহুর এবং শহীদুজ্জামান সেলিমও। মূলত এই চারজন শিল্পীই যার যার ক্ষেত্রে অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং দর্শকের কাছে সমাদৃত।
রিচি সোলায়মান বলেন,‘ রিচি বলেন,‘ চয়ন দিদির নির্দেশনায় এর আগেও আমি খুব সুন্দর সুন্দর গল্পের নাটকে অভিনয় করেছি। এই টেলিফিল্মের গল্পটাও যদিও আমাদের খুউব চেনা জানা, কিন্তু তারপরও দিদি তার নির্মাণ দিয়েও অনন্য করে তোলার চেষ্টা করেছেন। অনেকদিন পর আসলে ডলি আপা, সেলিম ভাই, দীপা আপা, আমি একসঙ্গে এক টেলিফিল্মে কাজ করে খুউব ভালোলেগেছে। ইউটিউবে টেলিফিল্মটি প্রচারের পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। জীবন ঘনিষ্ঠ গল্পের নাটকে কাজ করার আলাদা একটা ভালোলাগা কাজ করে। এই গল্পের নাটকগুলো দর্শক প্রবল আগ্রহ নিয়ে পিনপতন নীরবতায় উপভোগ করেন। কারণ আবেগপ্রবণ দৃশ্যগুলো দর্শক নীরবতা নিয়েই উপভোগ করতে ভালোবাসেন।’
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/166099