বগুড়ার আদমদীঘিতে ইরি-বোরো ধানের শীষে শীষে ভরপুর

বগুড়ার আদমদীঘিতে ইরি-বোরো ধানের শীষে শীষে ভরপুর

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : আদমদীঘি উপজেলার মাঠে মাঠে এখন ইরি-বোরো ধানের শীষে শীষে ভরপুর। যেদিকে চোখ যায় সবুজের সমারোহ। ইরি-বোরো ফসলের মাঠে বৈশাখের হালকা বাতাসে দোল খাচ্ছে ধানের শীষ। তা দেখে খুশিতে কৃষকদের মনে দোলা দিচ্ছে এক ভিন্ন আমেজ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার ইরি-বোরো আবাদে সেচের দাম বেশি এবং ধান গাছে এক শ্রেণির পাতা মরা রোগ দেখা দিলেও জমিতে আক্রান্তের সংখ্যা কম। ধানের গাছ ভালো রাখতে ও ধানের উৎপাদন বাড়াতে ধানের শীষ রক্ষা করতে কৃষকরা উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও দিকনিদের্শনায় সার্বক্ষণিক কীটনাশক প্রয়োগ ও পরিচর্যা করায় এখন ধান গাছে বড়বড় শীষ বের হয়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে।

এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে তারা। তবে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়লে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা করছেন তারা। আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে।

বর্তমানে ধানের শীষ বের হয়ে ধান পাকার উপক্রম হলেও কৃষকদের মনে সর্বদা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া ধান কাটা মাড়াইয়ের শ্রমিক সংকটেরও আশঙ্কা রয়েছে তাদের।

তেতুলিয়া গ্রামের কৃষক জহুরুল ইসলাম টুলু, মিজানুর রহমান মিজু, কাশিমালার মিজানুর রহমান, সালগ্রামের নজরুল ইসলাম, সিংগাহার গ্রামের শাহিন প্রামানিক, চকবাড়িয়া গ্রামের কৃষক তোফাজ্জল, কামাল হোসেনসহ অনেক কৃষকই এবারও বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম জানান, ধান ক্ষেতে তাপদাহ মোকাবিলা করতে সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলতি ইরি-বোরো আবাদে রোগবালাই নেই বললেই চলে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/166013