বগুড়া-১ আসনে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার সুপারিশ
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়া সারিয়াকান্দি এবং সোনাতলা দুটি উপজেলার উন্নয়নে ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা উন্নয়ন প্রকল্পের সুপারিশ করা হয়েছে। বগুড়া-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের নাম এবং প্রয়োজনীয় অর্থসহ তালিকা প্রকাশ করেছেন। যা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক বরাবর সুপারিশ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন এবং সোনাতলা উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়নের সকল সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছেন বগুড়া-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম। এ লক্ষে তিনি দুই উপজেলার বেশকিছু সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নামে প্রকল্প তালিকা করেছেন।
তালিকা অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের ১০ টি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ১১ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৬ লাখ, সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, হাটশেরপুর ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, কাজলা ইউনিয়নের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৭ লাখ, কামালপুর ইউনিয়নের ১১ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৩ লাখ, বোহাইল ইউনিয়নের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৭ লাখ, ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ১৩ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৯ লাখ, নারচী ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, চন্দনবাইশা ইউনিয়নের ৬ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ১৮ লাখ, কুতুবপুর ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ এবং ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ৭ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া সোনাতলা পৌর এলাকার ১০ টি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, সোনাতলা সদরের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৭ লাখ, দিগদাইড় ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, পাকুল্লা ইউনিয়নের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, বালুয়া ইউনিয়নের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ, তেকানি চুকাইনগর ইউনিয়নের ৯ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৭ লাখ, জোরগাছা ইউনিয়নের ১২ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৬ লাখ টাকা এবং মধুপুর ইউনিয়নের ১০ টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি কথায় বিশ্বাসী না, তারা কাজে বিশ্বাসী। যা যুগযুগ ধরে প্রমানিত হয়ে আসছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য আমি প্রতিনিয়ত নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা শুরু করে দিয়েছেন। তাইতো ইতিমধ্যেই দেশব্যাপী মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন, কৃষক কার্ড পেয়েছেন,খাল খনন কর্মসূচীর কাজ চলছে, বগুড়া সিটি করপোরেশন ঘোষণা হতে যাচ্ছে, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/165490