মোহনগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশায় থাকা মা ও মেয়ে আহত
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশায় থাকা এক কলেজছাত্রী ও তার মা গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপই ট্রাক ও অটোরিকশা ফেলে চালকরা পালিয়ে গেছেন।
আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার পানুর গ্রামে মোহনগঞ্জ-নেত্রকোনা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মোহনগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন, জেলার পূর্বধলা উপজেলার চান্দুরা গ্রামের মোহাম্মদ তারা মিয়ার স্ত্রী ফরিদা আক্তার (৫০) ও তাদের মেয়ে নিপা আক্তার (২০)। নিপা মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজে অনার্স পরীক্ষা ছিল নিপার। তাই সকালে মাকে সঙ্গে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন তিনি। পরীক্ষা শেষে বিকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। বিকেল চারটার দিকে উপজেলার পানুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। বেপরোয়া গতির কারণে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশাটি সড়কের পাশে ধানখেতে ছিটকে পড়ে। এতে মা-মেয়ে মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে ঘটনার পর ট্রাক ও অটোরিকশা ফেলে চালকরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে গাড়ি দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
মোহনগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও অটোরিকশা জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে ঘটনার পর এ দুটি গাড়ির চালক পালিয়ে যায়। এদিকে গুরুতর আহত মা-মেয়েকে মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত কলেজছাত্রী ও তার মা।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/164403