নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় বাড়ল এক মাস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় এক মাস বাড়াল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার ইসি সচিব আখতার আহমেদ ১১তম কমিশন সভা শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তাদের ব্যয়ের প্রতিবেদন দেওয়ার সময়সীমা ছিল এক মাস গেজেট পাবলিকেশনের পর থেকে। কয়েকজন আমাদের কাছে আবেদন করেছেন যে তাদের সময়সীমাটা বিভিন্ন কারণে যেমন অসুস্থতা আছে এবং বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে হচ্ছে না। তো সেটা কমিশন বলেছে ঠিক আছে, আরও এক মাস সময় বাড়িয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা তাদের ব্যয়ের রিটার্নগুলো দিতে পারেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করে ইসি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের এক মাসের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে হয়। যে সময় গত ২৫ মার্চ শেষ হয়েছে। এক্ষেত্রে অনেক প্রার্থীই সময় বাড়ানোর আবেদন করে। ফলে কমিশন সময় বাড়াল।
আরপিও অনুযায়ী, ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে এই মাস সময় শেষ হলে আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। তবে এরপরও না দিলে প্রার্থিতা বাতিল কিংবা দুই থেকে সাত বছরের জেল এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
ভোটার দিবস নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ভোটার দিবস (২ মার্চ) প্রতিপালন সম্পর্কে একটা আলোচনা হয়েছে, যে ভোটার দিবসটা আমরা করিনি। আমরা বলেছিলাম যে ভোটার দিবসটা আমরা একটু অর্থবহভাবে আরও একটু আনুষ্ঠানিকভাবে করতে চাই। এখনকার পরিস্থিতিতে একটা কমিটি করে দেওয়া হচ্ছে, আমাদের এডিশনাল সেক্রেটারি সাহেবের নেতৃত্বে, সে কমিটি রিকমেন্ডেশন করবে কীভাবে আমরা এই জিনিসটাকে করতে পারি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, আজকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিল।
আমরা চিঠিটা পেয়েছি... ওটা তো একটা প্রসিডিউরাল এসপেক্ট, ওটা প্রাসঙ্গিক কী আজকের আলোচনার সঙ্গে? অবশ্যই না। স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠানে কখন নির্বাচন করা হবে, সে আলোচনা যখন সময় আসবে তখন করা হবে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/163988