নীলফামারীর সৈয়দপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা

নীলফামারীর সৈয়দপুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে সারাদেশের মতো নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাজারেও চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কাঁচা শাক সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজণীয় প্রায় সকল পণ্যের মূল্য কিছু না কিছু করে বেড়েছে। এতে করে সাধারণ মানুষের সংসার পরিচালনা নিয়ে মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে জ্বালানি তেলের চরম সংকট দেখা দেয়। জ্বালানি তেল সংকটে মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সকল প্রকার যানবাহন চালকেরা চাহিদা কিংবা প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে হন্য ঘুরছেন। দীর্ঘ সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সংগ্রহ করতে পারছেন না।

এর আগে গত কয়েক বছরেও দেশে জ্বালানি তেলের এমন সংকট আর দেখা যায়নি। তাই জ্বালানি সংকটে সারাদেশের মতো নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে সকল প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। গত মৌসুম থেকে আলুর দাম নেই। আলু চাষ করে কৃষকরা লোকসান গুনছে। কিন্তু গত পক্ষকাল থেকে জ্বালানি সংকটে কিছুটা হলেও আলুসহ কাঁচা তরিতরকারি দাম বেড়ে গেছে। বর্তমানে এখানে দেশি জাতের আলু প্রতি কেজি ২০ থেকে ২২ টাকা এবং কার্ডিনাল আলু ৭ থেকে ৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সেই সঙ্গে বেগুন, সজিনা, করলা, পটল, শসা, লাউ, পেঁপে, বরবটি, পেঁয়াজসহ সকল প্রকার কাঁচা তরিতরকারি দাম কেজিতে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়। কিন্তু চলতি সপ্তাহে তা বেড়ে ৩২ থেকে ৩৪ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সেই সাথে বেড়েছে ভোজ্য তেলের দামও। এর আগে সব ব্যান্ডের দুই লিটার তেলের দাম ৩৭০ টাকা থেকে ৩৯০ টাকা ছিল। এখন সেই তেল চার শত থেকে ৪২০ টাকায়ও মিলছে না বাজারে।

তরিতরকারি পাশাপাশি মুদি দোকানের বিভিন্ন মালামালের দাম কিছু বেড়েছে। অন্যদিকে তেল সংকটে পড়ে মোটরসাইকেল মালিকেরাও চরম বিপাকে পড়েছে। এক লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহে ফিলিং স্টেশনে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক সময় তাও আবার তেল মিলছে না। এতে করে মোটরসাইকেল শো রুমগুলোতে বিক্রিতে ধস নেমেছে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/163941