বাসডুবিতে হাফেজা হওয়া হলো না আয়েশা সিদ্দিকার, থামতে হলো ১৮ পারাতেই

বাসডুবিতে হাফেজা হওয়া হলো না আয়েশা সিদ্দিকার, থামতে হলো ১৮ পারাতেই

কুষ্টিয়ার কুমারখালী কাউন্টার থেকে পরিবারের সঙ্গে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসে উঠেছিল ১৮ পারা কোরআনের হাফেজা আয়েশা সিদ্দিকা (১৩)। কিন্তু রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসটি তলিয়ে গেলে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোকসা উপজেলার শোমসপুরে পারিবারিক কবরস্থানে বড় চাচার পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে নিহত আয়েশা সিদ্দিকার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। সকাল ৯টায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের পর পুরো গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া।

জানা যায়, আয়েশা সিদ্দিকা ১৮ পারা কোরআনের হাফেজা ছিল। দুর্ঘটনার সময় সে তার মা লিটা খাতুনের সঙ্গে বাসে বসেছিল। বাবা গিয়াস উদ্দিন ছেলে আবুল কাশেম সাফিনকে নিয়ে ফেরিঘাটে নেমে যান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা।

নিহত আয়েশার বাবা গিয়াস উদ্দিন জানান, নিজের চোখের সামনে স্ত্রী ও মেয়েকে পানিতে ডুবে যেতে দেখেন তিনি। একপর্যায়ে তার স্ত্রী ভেসে উঠলেও মেয়েকে আর উদ্ধার করতে পারেননি। পরে গভীর রাতে ডুবুরিরা আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করে। রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে মরদেহ বুঝে নিয়ে রাতেই বাড়ি ফেরেন তারা।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/162539