গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের জন্য তেলের প্রাপ্যতা বাড়বে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পদক্ষেপ তেলের দামে সীমিত প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এতে ইরান তেল বিক্রি করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবে, যা তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ব্যয় করতে পারে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা থাকায় আগে থেকেই দেশটি থেকে তুলনামূলক কমদামে তেল কিনত কিছু দেশ। মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, যদি ইরানের কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়, তাহলে চীন যেন বাজারমূল্যে তেল কেনে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
মার্কিন এ মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে সাগরে থাকা ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এতে ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো এই সংকটময় সময়ে তেল সরবরাহ পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ইরানের প্রায় ১৪২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে।