ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে ৪১ প্রার্থীর হাই কোর্টে রিট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৪১ জন পরাজিত প্রার্থী হাই কোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে রিট করেছেন। এর মধ্যে বিএনপির ২৫টি, জামায়াতের ১৩টি, জোটের ২টি ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদন রয়েছে।
প্রাথমিক শুনানিতে হাই কোর্ট সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার, ফলাফলের কাগজপত্র ও সিসিটিভি ফুটেজসহ সব নির্বাচনি উপকরণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রতিপক্ষকে নোটিস দিয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী একটি বেঞ্চকে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল করা হয়। আগে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চে শুনানি চললেও অবকাশকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চ দায়িত্ব পালন করছে।
আইনজীবীদের মতে, নোটিসের জবাব আসার পর মূল শুনানি শুরু হবে, যা সময়সাপেক্ষ। বেশিরভাগ মামলার নোটিস ফেরতের সময় এপ্রিলের পর, কিছু ক্ষেত্রে মে-জুন পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।
রিট করা সব প্রার্থীর নাম
বিএনপি (২৫ জন):
তানভীর আহমেদ রবিন, মো. নবী উল্লা, এম এ কাইয়ুম, আমিনুল হক, ডি এম ডি জিয়াউর, মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, মো. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মো. হাসান জাফির তুহিন, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, মো. ফারুক আলম সরকার, শাহরিন ইসলাম, নাদিরা আক্তার, মো. শরীফুজ্জামান, সানজিলা জেরিন, কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, মো. আবু তাহের, মো. কামরুল হুদা, মোতাহার হোসেন তালুকদার, মো. হারুনুর রশীদ, এম আকবর আলী, মো. আখতারুল আলম।
জামায়াত (১৩ জন):
আবদুল মান্নান, এনায়েত উল্লাহ, জসিম উদ্দিন সরকার, মো. ইলিয়াছ মোল্লা, ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, মিয়া গোলাম পরওয়ার, আবদুর রহিম সরকার, মো. ফিরোজ হায়দার, আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, নুর আহমেদ আনোয়ারী, শামীম সাঈদী, ডা. সুলতান আহমদ, মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
জোট (২ জন):
মাওলানা মামুনুল হক, ওমর ফারুক।
স্বতন্ত্র (১ জন):
মো. আবদুল মতিন।