ইরানে মার্কিন হামলা হতাশার বহিঃপ্রকাশ : লারিজানি

ইরানে মার্কিন হামলা হতাশার বহিঃপ্রকাশ : লারিজানি

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি শুক্রবার তেহরানে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে একটি বিশাল জনসভায় যোগ দিয়েছেন। সমাবেশে অংশ নিয়ে সাম্প্রতিক ইসরায়েল-মার্কিন হামলা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি এটাকে শত্রু পক্ষের ‘হতাশার বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে আয়োজিত বার্ষিক 'কুদস দিবস'-এর মিছিলে অংশ নিয়ে লারিজানি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ‘এই হামলাগুলো ভয় এবং হতাশা থেকে করা হচ্ছে। যারা শক্তিশালী, তারা কখনোই মিছিলে বোমা হামলা চালায় না। এটা পরিষ্কার যে তারা (শত্রুপক্ষ) ব্যর্থ হয়েছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লারিজানি বলেন, ‘ট্রাম্প বুঝতে পারছেন না যে ইরানিরা একটি সাহসী, শক্তিশালী এবং সংকল্পবদ্ধ জাতি। তিনি যত বেশি চাপ দেবেন, এই জাতির সংকল্প তত বেশি দৃঢ় হবে।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর, দেশটির কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এটিই ছিল অন্যতম হাই-প্রোফাইল প্রকাশ্য উপস্থিতি। রাষ্ট্রীয় টিভির ফুটেজে বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মহসেনি এহজেই এবং জাতীয় পুলিশ প্রধান আহমদ-রেজা রাদানকেও মিছিলে দেখা গেছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, শুক্রবার তেহরানের কেন্দ্রস্থলে যে এলাকায় মিছিল হচ্ছিল, তার খুব কাছেই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিচার বিভাগীয় প্রধান এহজেই যখন টিভিতে কথা বলছিলেন, তখনই একটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণ বোমা হামলায় ভীত নয়, আমরা আমাদের এই পথেই এগিয়ে যাব।’

এএফপি সাংবাদিকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা আলী খামেনি এবং তাঁর উত্তরসূরি ছেলে মোতজবা খামেনির ছবি বহন করছিলেন। তারা ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি পা দিয়ে মাড়িয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের জোরালো বিরোধিতা প্রদর্শন করেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/161082