ইরানের ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে বি—১ বোমারু বিমান প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে বি—১ বোমারু বিমান প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে গতকাল বুধবার মার্কিন বিমানবাহিনীর বি—১ বোমারু বিমানে ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা মজুত করতে দেখা গেছে। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে পেন্টাগন হয়তো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে এ ভারি বিমানগুলো পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে অন্তত একটি বি—১ বিমানের অস্ত্র রাখার স্থান থেকে একটি মিসাইল লঞ্চার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বি—১ বোমারু বিমানগুলো আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। এগুলো লক্ষ্যবস্তু থেকে শত শত মাইল দূর থেকে নিক্ষেপ করা সম্ভব; যা বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সীমানার বাইরে থাকে। তবে ইরান যেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত করে রেখেছে, সেই সুসংহত ভূগর্ভস্থ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র খুব একটা কার্যকর নয়।

যুক্তরাজ্যে বি—১ বোমারু বিমানে যে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশনস’ (জেডিএএম) মজুত করতে দেখা গেছে, সেগুলো নিক্ষেপের জন্য বিমানকে লক্ষ্যবস্তুর প্রায় ২৫ মাইলের মধ্যে থাকতে হয়। বোমারু বিমানকে লক্ষ্যবস্তুর এত কাছে, বিশেষ করে ইরানের আকাশসীমার অনেক ভেতর নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাটি একটি বড় সংকেত। এর অর্থ পেন্টাগন আত্মবিশ্বাসী যে তারা ইরানের বিমানবিধ্বংসী সক্ষমতা প্রায় পুরোটাই ধ্বংস করে দিয়েছে।

ফ্লাইটগ্লোবাল ডটকমের ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার ফোর্সেস ২০২৬’ ডেটাবেজ অনুযায়ী, বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরে ৪০টি বি—১ বিমান রয়েছে। ইরানের আকাশে এমন একটি বিমান হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।  তথ্যসূত্র : সিএনএন

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/160888