রাজবাড়ীতে প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পাচ্ছে ১২০১ পরিবার
রাজবাড়ীতে প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর টাকা পাচ্ছে ১ হাজার ২০১টি পরিবার।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
জানা গেছে, আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় পাংশা উপজেলা পরিষদে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (এমপি) ও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। তিনি বলেন, ‘সারাদেশে ১০টি জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আওতায় রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঝিকড়ি গ্রামে প্রথম পর্যায়ের মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পাবে।
পাংশা উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রিফাতুল হক বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য প্রথম ধাপে পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের চর ঝিকড়ি গ্রামের ১ হাজার ৮২৬টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি দেওয়ার পর ১ হাজার ৪০৪ জন কনফার্ম হয়েছে। বাকিগুলো ত্রুটির কারণে হয়তো বাদ পড়েছে। ঈদের আগে ১ হাজার ৪০৪ জনের মধ্যে ১২০১ জন টাকা পাবে। বাকি ২০৩ জনে কারিগরি জটিলতার কারণে আটকে গেছে। জটিলতা কেটে গেলে তারাও ঈদের আগে টাকা পাবে।
রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফাতে ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়টি ছিল। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পাইলট প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলাকে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং প্রোগ্রামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার। অবশ্যই এটা আমাদের জন্য একটা বড় প্রাপ্তি।