ভারত ক্রিকেটকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে: শোয়েব আখতার

ভারত ক্রিকেটকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে: শোয়েব আখতার

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এই জয়ের মাধ্যমে ভারত প্রথম দল হিসেবে টানা দু’বার শিরোপা রক্ষা এবং মোট তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড গড়ল। 

ভারতের এই অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্সের সমালোচনা করে শোয়েব আখতার একে “ধনী ঘরের বাচ্চার” আধিপত্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ‘ট্যাপম্যাড’-এর ‘গেম অন হ্যায়’ শো-তে তিনি বলেন: 'এটি অনেকটা সেই পাড়ার ধনী বাচ্চার মতো, যে সব গরিব বাচ্চাদের ডেকে বলে, ‘এসো ক্রিকেট খেলি’। ভারত আমাদের সঙ্গে ঠিক সেটাই করছে। আটটি দলের মধ্যে তারা চারটিকে রাখে, আর সেই চারটির মধ্য থেকে তিনটিকে আবার ডেকে নিয়ে এগিয়ে যায় এবং শেষে বলে, ‘দেখো আমি জিতেছি’। তারা ক্রিকেটকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।'

সমালোচনা করলেও, ভারতীয় দলের কাঠামোগত পরিবর্তন এবং কোচ গৌতম গাম্ভীরের কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আখতার। তিনি মনে করেন, এটি ভারতের ‘সিস্টেম’ ও ‘ম্যানেজমেন্টের’ জয়। আখতার বিশেষভাবে তরুণ তুর্কিদের ওপর গাম্ভীরের আস্থার কথা উল্লেখ করেন: "আজ গৌতম গাম্ভীর সবার সাথে লড়াই করে জিতেছেন। তিনি দুই তরুণকে সুযোগ দিয়েছেন এবং বলেছিলেন তিনি তাদের ব্যাক করবেন।"

 

তিনি বলেন, "সেখানে একজনই ছিল, সঞ্জু স্যামসন। সব বাধা পেরিয়ে গাম্ভীর কাউকে বাদ দিয়ে বড় ঝুঁকি নিয়েছিলেন এবং কোনো আপস করেননি। সঞ্জু একাই পুরো প্রতিপক্ষকে নিউট্রালাইজ করে দিয়েছে। আর অভিষেক তো এখনো শিশু, কিন্তু সে যথেষ্ট পরিণত। আজ গাম্ভীরের পলিসি জিতেছে।"

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা ও রবীন্দ্র জাদেজা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। তবে শোয়েব আখতার দাবি করেছেন যে, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য নতুন দল গড়তে তাদের এক প্রকার “ছেড়ে দেওয়া” বা ড্রপ করা হয়েছিল।

আখতারের ভাষায়, 'রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির মতো কিংবদন্তিদের তারা বিদায় জানিয়েছে (ছেড়ে দিয়েছে)। আজ ভারত প্রমাণ করেছে যে সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। সঠিক মেধার ভিত্তিতে দল নির্বাচন করলে এভাবেই জয় উদযাপন করা যায়। ভারত আজ তাদের সিস্টেম এবং মেশিনের পেছনে সঠিক বিনিয়োগের ফল পাচ্ছে।'

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/160515