পাবনার ফরিদপুরের একটি মসজিদে এক মাস নামাজ পড়া বন্ধ 

পাবনার ফরিদপুরের একটি মসজিদে এক মাস নামাজ পড়া বন্ধ 

ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ফরিদপুরের দিঘুলিয়া গ্রামে কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ কাজ শেষে উদ্বোধনের সময় আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় এক মাস যাবত মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিঘুলিয়া গ্রামে পৈত্রিক বসত ভিটায় বাস করতেন শামসুল আলম টুনু। বর্তমানে তিনি স্বপরিবারে ঢাকায় বসবাস করছেন। অভিযোগ উঠেছে, তার অনুপস্থিতিতে তার মামাত ভাই ফজল আবুল হাসান ও তার সহযোগীরা শামসুল আলমকে মৃত দেখিয়ে একটি ওয়ারিশান সনদ সংগ্রহ করে মসজিদের নামে তার মূল্যবান জমি লিখে নেওয়া হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঐ জমিতে কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। গত প্রায় ১ মাস আগে শবে বরাতের দিন নামাজ পড়ার মাধ্যমে উদ্বোধন করতে গেলে দেখা যায়, মসজিদের গায়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কাগজ লাগানো রয়েছে। সে থেকে আদালতের নির্দেশে বর্তমানে মসজিদটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

শামসুল আলমের ছেলে আহমেদ আক্তার জ্যোতি জানান, আমার জীবিত বাবাকে মৃত দেখিয়ে ফজল আবুল হাসান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি সনদ নিয়ে আমার বাবার ৪ শতাংশ বসত বাড়ি ২১/৯/২৪ তারিখে মসজিদের নামে একটি দলিল করে মসজিদ নির্মাণ করেন। আমি বিষয়টি টের পেয়ে পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করলে, কোর্ট গত জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখে ৩ মাসের জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

ফরিদপুর থানার ওসি শামীম আকন্জী জানান, মসজিদ ধমীয় অনুভুতির জায়গা। এ জায়গা নিয়ে কোর্টে মামলা আছে। কোর্ট যেভাবে নির্দেশনা দেবেন পুলিশ সেভাবে ব্যবস্থা নেবে। এদিকে এলাকাবাসী ও ফজল আবুল হাসানের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ উম্মে উমামা বানিন উভয় পক্ষকে গত ৩ মার্চ তার অফিসে ডেকে মিমাংসা করে দ্রুত মসজিদ খুলে দিয়ে এলাকাবাসীকে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/160213