বগুড়ার তালোড়া পৌর নির্বাচনি হাওয়া, কৌশলে আগাম প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

বগুড়ার তালোড়া পৌর নির্বাচনি হাওয়া, কৌশলে আগাম প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর রেশ কাটতে না কাটতেই বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া পৌরসভা নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য মেয়রসহ কাউন্সিলার প্রার্থীরা কৌশলে প্রচারণার মাধ্যমে নিজের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন।

উপজেলার বন্দর নগর এলাকা হিসেবে সমাদৃত তালোড়া। এই তালোড়ার আংশিক এলাকা নিয়ে ২০১১ সালের ১২ এপ্রিল পৌরসভা গঠিত হয়। ১১.৮৩ বর্গমিটার আয়তনের এই পৌর এলাকার জনসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার ৪৭৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৫৫ ও মহিলা ১৫ হাজার ৪২০ জন। প্রথম পৌর প্রশাসক হিসেবে তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল হান্নান দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পৌরসভাটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে।

গত ২০১৩ সালের ৫ মে এই পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে তালোড়া পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল খন্দকার প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন। গত ১৫ মে ২০১৮ দ্বিতীয় বারেরমত তালোড়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সাবেক মেয়র আমিরুল ইসলাম বকুল মেয়র নির্বাচিত হন।

২০২৩ সালের ২১ জুন ৩য় বারেরমত তালোড়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সাবেক মেয়র তালোড়া পৌর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল জলিল পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা গণআন্দোলনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হয়। এরপর থেকেই তালোড়া পৌরসভার নতুন করে নির্বাচন নিয়ে হাওয়া বইতে শুরু করে। এই দিকে পৌরসভার এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সব দলের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা কৌশলে আগাম নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়ে নিজেদের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন।

তারা হলেন-তালোড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল জলিল খন্দকার, তালোড়া পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন রিপু, বিএনপি নেতা আবু হোসেন সরকার আবুল, মুত্তাকিন মুরাদ, জামায়াত নেতা তালোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, আরিফুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র কামরুল ইসলাম রুবেল।

অনেকেই সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে দোয়াও চাচ্ছেন। জানা গেছে, এসব প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই গত নির্বাচনে তাদের পরাজয়ের কারণকে খতিয়ে দেখে নির্বাচনে আরও কৌশলী হচ্ছেন। জয় সুনিশ্চিত করতে নির্বাচনি প্রচারণায় কৌশল পাল্টানোর পরিকল্পনা করছেন। গত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আগামী নির্বাচনের কৌশল গ্রহণ করে আগাম প্রচারণায় নেমেছেন তারা।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/159856