বড় জয়েও বিদায় বার্সা’র!
স্পোর্টস ডেস্ক : অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখার দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল বার্সেলোনা। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলে জয় নিশ্চিত করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় কোপা দেল রে’র ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। সব মিলিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল কাতালান দল। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় চতুর্থ গোলটি আর পাওয়া হয়নি। তাতে শেষ মুহূর্তে চাপে পড়েও টিকে যায় অ্যাতলেতিকো। ডিয়েগো সিমিওনের দল ফাইনালে খেলবে রিয়াল সোসিয়েদাদ ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের মধ্যকার অপর সেমিফাইনালের বিজয়ীর সঙ্গে।
গত মাসে প্রথম লেগে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারায় কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়ে যায় বার্সেলোনা। ৩২ বারের শিরোপাজয়ী দলটির সামনে ছিল প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। সেই লক্ষ্যে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। অ্যাতলেতিকোকে গুছিয়ে উঠতে দেয়নি তারা। উল্টো হুয়ান মুসোর গোলমুখে একের পর এক আক্রমণ শাণিয়ে খেলেছে। শুরুর দিকে রাফিনহার শট সাইডনেটে লাগে। এরপর ফেরান তোরেসের দুটি প্রচেষ্টা এবং ইনজুরিতে জুলস কুন্দের পরিবর্তে নামা আলেহান্দ্রো বালদের শটসহ সবই ঠেকিয়ে দেন মুসো। শেষ পর্যন্ত ২৯ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। লামিনে ইয়ামালের ক্রসে ফাঁকায় থাকা ১৮ বছর বয়সী বার্নাল সহজেই বল জালে জড়ান। তখনই প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত মিলতে থাকে। গত মৌসুমেও এই পর্যায়ে অ্যাতলেতিকোকে হারিয়ে বার্সেলোনা শিরোপা জিতেছিল। তবে এবার ভাগ্য ঘোরাতে প্রয়োজন ছিল বিশেষ কিছু। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেদ্রি বক্সে ক্লেমঁ ল্যাংলের ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বার্সা। তার পর স্পট কিক থেকে সমতা ফেরান রাফিনহ।
বিরতির পর হুলিয়ান আলভারেজের শটে গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে দ্রুত সেভ করতে হয়েছে। অন্যদিকে বার্নাল আবারও মুসোকে পরীক্ষায় ফেলেন। আরও গোলের খোঁজে বেঞ্চ থেকে নামানো হয় মার্কাস রাশফোর্ডকে। শেষ পর্যন্ত গোল পান বার্নালই। ম্যাচের ৭২ মিনিটে হোয়াও ক্যানসেলোর ক্রস থেকে নিজের চতুর্থ ম্যাচে চতুর্থ গোলটি করেন তিনি। কিন্তু শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও দুই লেগ মিলিয়ে আর সমতায় ফেরা হয়নি বার্সেলোনার।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/159747