সিরাজগঞ্জে কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি

সিরাজগঞ্জে কাঁচাবাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের কাঁচাবাজার গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বিভিন্ন সড়কে ভিড়ের কারণে চলাচল দায় হয়ে পড়েছে। দোকানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

রোজার শুরুতেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) শহরের বড় কাঁচাবাজার, কালিবাড়ি বাজার, পৌর কাঁচাবাজার, মাছিমপুর বৌ বাজার, স্টেশন বাজার, বাহিরগোলা বাজারে মরিচ ১২০ টাকা, আলু ১৪ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা, লেবু ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও ইফতার সামগ্রীর মধ্যে মুড়ির দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ছোলা ৮০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ শহরে কাঁচা বাজারে বাজার করতে আসা হামিদুল ইসলাম, জোসনা বেগম জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ইফতার সামগ্রীসহ কাঁচা বাজারের প্রতিটি জিনিসের মূল্য রোজার শুরুতে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেলেও ১ সপ্তাহের ব্যাবধানে অনেকটাই মূল্য কমেছে।

শহরের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা শাহীন আলম বলেন, আমরা বিভিন্ন স্থান থেকে কাঁচামাল ক্রয় করে বিক্রি করে থাকি। প্রতিটা দ্রব্যের মূল্য বর্তমানে অনেকটাই কম। প্রতিটি বাজারে দ্রব্য মূল্য কমায় ক্রেতাদের স্বস্তি ফিরে আসলেও উৎপাদন কারিদের উঠেছে মাথায় হাত।

আলু ও বেগুন উৎপাদনকারি মোতালেব হোসেন জানান, চলমান কাঁচা বাজারে সবজি বিক্রি করে উৎপাদন খরচ, পরিবহণ খরচ পূরণ করা বর্তমানে দায় হয়ে পড়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জ সহকারী পরিচালক মো: সোহেল সেখ বলেন, জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর যৌথভাবে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমেছে। বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রীর দাম সাধারণ মানুষে নাগালের মধ্যে রয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকার কথাও জানান তিনি।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/159096