নারী বিপিএলে সুযোগ থাকছে ভারতীয়দেরও
স্পোর্টস ডেস্ক : আগামী ৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউবিপিএল) প্রথম আসর। বহুবার ঘোষণা দিয়েও এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে সফলতার মুখ দেখতে যাচ্ছে বিসিবি। তিনটি দল নিয়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে প্রথম আসর।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম সমন্বয় সভা আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো ডব্লিউবিপিএল’র কার্যক্রম শুরু করেছে বিসিবি। সেখানেই বিসিবির নারী উইং ও ডব্লিউবিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রুবাবা দৌলা জানিয়েছেন, এই টুর্নামেন্টে ভারতীয় নারী ক্রিকেটারদের স্বাগত জানাতে বোর্ড প্রস্তুত।
ভারতের পুরুষ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সাধারণত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ছাড়া বিদেশি লিগে খেলার সুযোগ পান না। তবে নারী ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে সেই বিধিনিষেধ নেই; তারা ওমেন’স বিগ ব্যাশ লিগ এবং দ্য হান্ড্রেডের মতো টুর্নামেন্টেও অংশ নেন। রুবাবার বক্তব্যে বোঝা যায়, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সরে দাঁড়ানোর পর বিসিসিআই’র সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছে বলে যে ধারণা রয়েছে, তা স্বাভাবিক করতে বিসিবি আগ্রহী।
মিরপুরে সমন্বয় সভা শেষে রুবাবা বলেন, ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার আগ্রহ দেখিয়েছেন। দলগুলো খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগ করে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করবে। কয়েকজন পরিচিত তারকা খেলোয়াড়ও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সম্ভাবনা নাকচ করেননি। তিনি বলেন, আমরা সবার জন্য উন্মুক্ত। কোনো দেশভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা নেই। যারা আগ্রহ দেখাবে এবং যে দলগুলো তাদের নিতে চাইবে, তারা নিতে পারবে। এটি সবার জন্য খোলা—দেখা যাক কী হয়।
তিনি আরও জানান, নারী বিপিএলের সব প্রস্তুতি চলছে এবং নিয়মিত সভা হচ্ছে। গভর্নিং কাউন্সিল ও ওয়ার্কিং কমিটি একসঙ্গে পরিকল্পনা করছে কীভাবে সেরা উপায়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা যায়। তিনি জানান, টুর্নামেন্টটি সম্ভবত চট্টগ্রামে শুরু হয়ে ঢাকায় শেষ হবে। একাদশে বিদেশি খেলোয়াড়ের সীমা নির্ধারণে আইপিএল মডেল অনুসরণ করা হবে। খেলোয়াড় বাছাইয়ে নিলামের পরিবর্তে ড্রাফট পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
তিনি বলেন, ড্রাফট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে এবং এ জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা হবে। প্রতিটি দলে অন্তত দুইজন বিদেশি খেলোয়াড় থাকতে হবে, সম্ভবত তিন থেকে চারজন পর্যন্ত। জানা গেছে, দেশি ক্রিকেটারদের জন্য পাঁচটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। আইকন খেলোয়াড়রা পাবেন ১০ লাখ টাকা। ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন ৭ লাখ টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরি ৫ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরি ৩ লাখ এবং ‘ডি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন ১.৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/158973