পাবনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

পাবনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

‎পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা গ্রামে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন করায় জামায়াত সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ পন্থী ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভাড়ারা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান ও তার সহযোগী আলমের নেতৃত্বে একদল বাহিনী ভাড়ারা গ্রামের জাহিদ হাসান মুসার বাড়িতে গিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। বাড়িতে থাকা টিভি, ফ্রিজ, আলমারী, মোটরসাইকেলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এসময় মাছ বিক্রির ৮ লক্ষাধিক টাকা ও ৫৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এছাড়াও পার্শ্ববর্তী ইয়াসিন আলীর বাড়িতেও এই বাহিনী হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসব বাড়ির লোকজন সন্ত্রাসীদের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে বলে জানা গেছে। দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুঠার, হকিস্টিক নিয়ে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ইয়াসিন আলীর।

‎ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা বলেন, দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন করায় বাড়িতে আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এসময় তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, আমি ধানের শীষের রাজনীতিও করিনা, ধানের শীষের নির্বাচনও করিনি। আমাকে ষড়যন্ত্র করে এসব ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে।  ‎পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/157741