রোজার আগে বগুড়ায় লেবুর দাম চড়া
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়ার বাজারে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে লেবুর দাম। সপ্তাহ দুয়েকের ব্যবধানে প্রতি পিছ লেবুর দাম বেড়েছে অন্তত ৭-১০ টাকা পর্যন্ত। শহরের বাজারগুলোতে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। শহরের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাগান মালিক ও আড়তদাররা রমজানে বেশি মুনাফার আশায় লেবু ধরে রাখছেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তারা দামও বাড়িয়ে নিচ্ছেন। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন লেবুর মৌসুম নয়। গাছে নতুন ফুল ও ছোট ফল আসায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে, এজন্য দাম বেড়েছে।
সপ্তাহদুয়েক আগে বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু বিক্রি হয়েছিল ১৬ থেকে ২০ টাকা। এখন তা দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। যদিও মাসখানেক আগে এ মানের লেবুর প্রতিটি বিক্রি হয়েছিল ৩ থেকে ৫ টাকা দরে। সেই হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় চারগুণ। শহরের রাজা বাজারের লেবু ব্যবসায়ী রমজান আকন্দ দৈনিক করতোয়া’কে বলেন, এখন লেবুর ভরা মৌসুম নয়।
গাছে নতুন ফুল আসছে। কিছু কিছু গাছে ছোট ফল আসায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। তিনি বলেন, কিছু লেবু গাছ আছে যেগুলোতে কমবেশি সারা বছরই লেবু হয়।
সেগুলোই এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া নির্বাচন উপলক্ষ্যে দুই-তিন দিন পরিবহন চলাচল সীমিত থাকায় বাজারে লেবু বেশি দাবি এই ব্যবসায়ীর। লেবুর চড়া দাম দেখে ক্ষুব্ধ ক্রেতারাও। লেবু কিনতে আসা আসাদুল আলম দৈনিক করতোয়া’কে বলেন, মাসখানেক আগেও ১৫ থেকে ২০ টাকা হালিতে লেবু কিনলাম।
রোজা আসেইনি এখন লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা চাচ্ছে। গৃহীনি হাবিবা খাতুন দৈনিক করতোয়া’কে বলেন, রমজান মাস শুরু হলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়। চড়া দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। সারাদিন রোজা রাখার পর লেবুর শরবত অনেকটাই স্বস্তি এনে দেয়। কিন্তু লেবুর দামও অস্বাভাবিক হওয়ায় এটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। রমজানে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে মনিটরিং বাড়ানোর আহ্বান জানান এই ক্রেতা।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/157719