সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে কোস্ট গার্ডের অবদান আরও বিস্তৃত হবে: প্রধান উপদেষ্টা
সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার ও জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অবদান আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আমি এ বাহিনীর সর্বস্তরের সকল সদস্যকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে ‘Guardian at Sea’ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সাগরভিত্তিক অর্থনীতির সুরক্ষা, উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের সার্বভৌম জলসীমা সংরক্ষণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে।
বাণীতে আরও বলা হয়, সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার দমন, মাদক প্রতিরোধ, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, অভয়ারণ্য বাস্তবায়ন এবং জাটকা ও ইলিশ রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ভূমিকা প্রশংসনীয়। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে বাহিনীটি দ্রুততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেবা দিয়ে আসছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সর্বসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।