গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে গণসংহতি আন্দোলন-জিএসএ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করেন দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, তাসলিমা আখতার, কেন্দ্রীয় সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, অঞ্জন দাস, আমজাদ হোসেন, সুমনা লুৎফুন্নাহার।
দলটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যহীনতার ভাষায় আবারো আমাদের সামনে হাজির হয়েছে।
গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাচনী ইশতেহার—
▪ একটা সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় যেখানে রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি সম্পদের বণ্টনেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অনুশীলনের মাধ্যমে দুর্নীতি দূর করে সুশাসন কায়েম করা হবে।
▪ গুরুত্ব দিয়েছি এদেশের শ্রমিক কৃষক শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। জাতি ধর্ম শ্রেণি লিঙ্গের যে ভিত্তিতে বৈষম্য তার অবসানের বিষয়ে।
▪ বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা রূপান্তরের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক খাতকে আনুষ্ঠানিক খাতে নিয়ে এসে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করায়। গুরুত্ব দিয়েছি নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে অর্থনীতির উৎপাদনশীল রূপান্তরে।
▪ সকল শিশুর জন্য নিরাপদ সৃজনশীল বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষা ব্যবস্থাসহ জাতীয় আয়োজনে ভবিষ্যৎমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে।
▪ সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা চিকিৎসার অভাবে কেউ মারা যাবে না এই নীতির ভিত্তিতে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের উদ্যোগ বিষয়ে।
▪ আমরা গুরুত্ব দিয়েছি নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও ক্ষমতায়নসহ সকল নারীর সমমর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
▪ বাংলাদেশের প্রকৃতিকে সুরক্ষায় সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রকৃতির সুরক্ষার প্রশ্নটিকে প্রাধান্য দেওয়া, এদেশের নদী, খাল বনভূমি দখলদূষণ মুক্ত করা ন্যায্য হিস্যা আদায়, প্রকৃতি উপযোগী নগরায়ন ইত্যাদি হবে আমাদের অগ্রাধিকার।
▪ জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নীতি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করা।
▪ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পরিচয়ের স্বীকৃতি, বৈচিত্র্যসহ নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশ, প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা।
▪ তরুণ জনগোষ্ঠীর বিকাশ, সুযোগের পরিসর বৃদ্ধি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার, মর্যাদা সুরক্ষা, দেশের উৎপাদনশীল রূপান্তরে তাদের অংশগ্রহণ।