তারেক রহমানের অজানা মানবিক গল্প নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’
কখনো অসহায় মানুষ বা দুস্থ পরিবারের পাশে, আবার কখনো অবহেলিত প্রাণীর সেবায় নীরবে দাঁড়িয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সেই প্রচারবিমুখ ও মানবিক উদ্যোগগুলো এবার পর্দায় উঠে এসেছে।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘সবার আগে হাসিমুখ’ শীর্ষক একটি তথ্যচিত্রের প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যচিত্রে তারেক রহমানের জীবন ও দর্শনের অজানা মানবিক দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে। প্রিমিয়ার শো চলাকালে বিএনপি চেয়ারম্যানের এমন মমত্ববোধ ও সহমর্মিতার চিত্র দেখে দর্শকসারিতে উপস্থিত অনেককেই আবেগতাড়িত হতে দেখা যায়। তারেক রহমানকে নিয়ে নির্মিত এটিই প্রথম তথ্যচিত্র।প্রদর্শনীতে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, অভিনেতা, সাংবাদিক ও গায়কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় বক্তারা তারেক রহমানের মানবিক গুণাবলির প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান গণমাধ্যমে বলেন, ‘তারেক রহমান যে বছরের পর বছর এভাবে মানুষের জন্য, প্রাণীর জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, সেটা জানাই ছিল না। আমরাও যেমন খুব বেশি কিছু জানতাম না, তেমনি তথ্যচিত্রেও দেখলাম যাদের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন তারাও জানতেন না পেছনে কে আছেন; কার কাছ থেকে আসছে সাহায্য। মানুষ ও প্রাণীর কল্যাণে তার অবদান কখনো প্রচারের আলো খোঁজেনি। এই তথ্যচিত্র সেই নীরব মানবিক দিকটিকেই তুলে ধরেছে।’ বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, ‘আমার ধারণাই ছিল না ঠিক কী দেখতে এসেছি। রাজনৈতিক কোনো বিষয় নিয়ে হয়তো তথ্যচিত্রটি, কিন্তু এটি দেখে পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম এবং বিস্মিত হলাম। এখানে তারেক রহমানের অজানা মানবিক দিক উঠে এসেছে।’
তথ্যচিত্রটির নির্মাতা জুবায়ের বাবু গণমাধ্যমে জানান, ‘সবার আগে হাসিমুখ’ কোনো রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা নয়। তিনি বলেন, ‘এটি একজন মানুষের গল্প; যিনি রাজনীতির ব্যস্ততার বাইরে থেকেও অসংখ্য মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে গেছেন নিভৃতে। মানুষ ও প্রাণীর প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতা ও মানবিক উদ্যোগগুলোই ছিল এই তথ্যচিত্রের মূল অনুপ্রেরণা।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তথ্যচিত্রটির নির্মাণশৈলী ও বিষয়বস্তুর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা মনে করেন, এটি কেবল একটি প্রামাণ্যচিত্র নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/156887