বগুড়ার শেরপুরে এক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জনকল্যাণমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার

বগুড়ার শেরপুরে এক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জনকল্যাণমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার

এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। পাশাপাশি স্থানীয় সমস্যা- রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা এই অঙ্গীকার করেন। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) বগুড়া জেলা ও শেরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠানে চারজনের মধ্যে তিনজন প্রার্থী ও একজনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন প্রার্থী। এরমধ্যে-জামায়াতের প্রার্থী দবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু ও সিপিবি’র শিপন কুমার রবিদাস উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু অংশ নেন।

বক্তব্যে জামায়াতের প্রার্থী দবিবুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশ ও জাতীর কল্যাণে ইতিমধ্যে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। জয়ী হলে সেই লক্ষ্যেই কাজ করবো। তবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানবিক ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম মিন্টু বলেন, এই এলাকার উন্নয়নে দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে তার দল। এছাড়া সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে শেরপুর ও ধুনট উপজেলার উন্নয়নে কাজ করবেন বলেও দাবি করেন এই বিএনপি নেতা।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মীর মাহমুদুর রহমান বলেন, শেরপুর শহরে একটি ফ্লাইওভার, গ্যাস সুবিধা প্রদানসহ বাঙালি ও করতোয়া নদীতে একাধিক ব্রিজ নির্মাণ করবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি। সিপিবি প্রার্থী শিপন কুমার রবিদাস বলেন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। নির্বাচনে জয়ী হলে সংসদে জনগণের দাবি তুলে ধরবো এবং জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবো।

জনগণের মুখোমুখী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভোটাররা প্রত্যেক প্রার্থীকে তিনটি করে প্রশ্ন করেন। প্রার্থীরা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন। শেষে উপস্থিত ভোটাররা সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/156865