মৎস্য খাতের উন্নয়নে ৩৭১ কোটির বেশি টাকা ব্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে : বগুড়ায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

মৎস্য খাতের উন্নয়নে ৩৭১ কোটির বেশি টাকা ব্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে : বগুড়ায় মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

স্টাফ রিপোর্টার : বিদ্যমান সরকারি খামার সমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প(প্রথম পর্যায়) এর আওতায় জেলা পর্যায়ের আঞ্চলিক কর্মশালায় মৎস্য অধিদপ্তর এর মহা পরিচালক ড.  মো. আবদুর রউফ বলেছেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খামার সমুহের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, মাছ চাষের জন্য দুটি উপাদান প্রয়োজন একটি হলো সীড (বীজ) ও ফিড (খাদ্য)। সঠিক পোনা পেলে কৃষক লাভবান হয়। ফার্মগুলো সংস্কার করা না হলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব না। কৃষকদের লাভবান করার জন্য এই প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মৎস্য খাতের বিদ্যুৎ বিল কৃষি খাতের মত করার চেষ্টা চলছে।

মাছের খাদ্য উৎপাদনে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রেয়াত দেওয়া হচ্ছে। এত করে মাছের খাবারের দাম কমে যাবে। আগামীতে হ্যাচারি মালিকদের বিদ্যুৎবিল কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।  গতকাল বগুড়ার একটি হোটেলে আয়োজিত কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক মো. সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহা পরিচালক ড.  মো. আবদুর রউফ আরও বলেন, মাছের রেনু পোনা পরিবহনে পলিব্যাগ ব্যবহারে পরিবেশ অধিদপ্তর যাতে কোন হয়রানী না করে তার জন্য তারা কথা বলেছেন। একই সাথে মাছ পরিবহনে ব্যবহৃত যান বাহন যাতে পুলিশী বা ট্রাফিকের হয়রানীর মধ্যে না পড়ে তার জন্য তারা কথা বলবেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক(প্রশাসন) এসএম রেজাউল করিম। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ভবনের সহকারি প্রধান আবু মো. আসাদুজ্জামান। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাছুদুল হাসান।

কর্মশালায় উপস্থিত খামারীরা তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরে তা সমাধানের আহবান জানান। প্রধান অতিথির খামারীদের কথা শোনের এবং তার সহজ সমাধারে কথা বলেন। সভায় মাছের এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ, পলিব্যাগ ব্যবহার,পরিবহন সমস্যা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়াও সারিয়াকান্দির ইলিশ পয়েন্ট রক্ষায় কি করনীয় তাও আলোচনায় নেওয়া হয়।

কর্মশালায় জানান হয় ৩৭১ কোটির বেশি টাকা ব্যায়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চার বছর মেয়াদী এই প্রকল্প ২০২৪ সালে জুলাই মাসে শুরু হয়েছে ২০২৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে। নিমগাছী এবং কোট চাঁদপুরে জীন ব্যাংক স্থাপন করা হবে। যাতে চাষীরা ভালো বীজ পান। পুকুর খনন বা সংস্কার করা নিয়ে প্রশাসনের জটিলতা ও হয়রানীর কথা তুলে ধরেন খামারীরা।

সে ক্ষেত্রে প্রশাসনের সাথে আলোজনা করার জন্য জেরঅ মৎস্য কর্মকর্তাকে বলা হয়। সমগ্র কর্মশালা সঞ্চালনা করেন শেরপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শারমিন আকতার।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/156752