লাল শাড়িতে উষ্ণতা ছড়ালেন মাধুরী দীক্ষিত
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডে নিজের অবস্থান অটুট রেখে চলেছেন মাধুরী দীক্ষিত। অসাধারণ অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এক অনন্য স্টাইল আইকন হিসেবেও। পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই ছিল আলাদা এক আভিজাত্য, যেখানে অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশনও হয়ে উঠেছে গল্প বলার অংশ।
দিল তো পাগল হ্যায়-এর আধুনিক স্যুট হোক কিংবা হাম আপকে হ্যায় কৌনের সেই আইকনিক শাড়ির প্রতিটি লুকেই মাধুরী সময়ের অনেক আগেই ট্রেন্ড তৈরি করেছেন। আশ্চর্যের বিষয়, সেই লুকগুলো আজও সমানভাবে জনপ্রিয়। ফ্যাশনের ধারা বদলালেও তার স্টাইল কখনো পুরোনো হয়নি বরং বারবার ফিরে এসেছে নতুন রূপে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একটি পোস্টে মাধুরী ধরা দিয়েছেন শাড়ির সৌন্দর্যে মোড়ানো এক রাজকীয় লুকে। সবুজ সিল্কের এই শাড়িটি এমন এক এলিগ্যান্স তুলে ধরে, যা ২০২৬ সালের বিবাহ ও উৎসবের মৌসুমে সব বয়সী নারীর জন্য সহজেই অনুকরণযোগ্য।
শাড়িটি ডিজাইন করেছেন জয়ন্তী রেড্ডি, যার দাম প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। জারদৌসির সূক্ষ্ম হাতের সূচিকর্মে সাজানো এই শাড়ি ঐতিহ্য ও আধুনিক নান্দনিকতার এক নিখুঁত সংমিশ্রণ। চকচকে সিল্কের বেস লুকটিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে, আর প্রশস্ত বর্ডার ও মিলিয়ে করা ব্লাউজ পুরো সাজকে দিয়েছে পরিপূর্ণতা। যা নতুন কনে থেকে শুরু করে বিবাহের অতিথি যে কেউ এ ধরনের শাড়িতে অনায়াসেই আলাদা হয়ে উঠতে পারেন।
স্টাইলিংয়ে মাধুরী দীক্ষিত বেছে নিয়েছেন একেবারেই সিম্পল লুক। ভারী সূচিকর্মের কারণে তিনি নেকলেস এড়িয়ে গেছেন এবং সবুজ রঙের ড্রপযুক্ত স্টেটমেন্ট কানের দুলে জোর দিয়েছেন।
এছাড়া স্টাডেড আংটি, চুড়ি এবং একটি ক্লাসিক ঘড়ি, যা পুরো লুককে করেছে মার্জিত ও ভারসাম্যপূর্ণ।
মেকআপেও ছিল নরম গ্ল্যামারের ছোঁয়া। কালো ও বাদামি মিশেলে করা স্মোকি আইশ্যাডো, প্রশস্ত ভ্রু, হালকা টিন্টেড গাল এবং বেরি লাল ঠোঁট-সব মিলিয়ে শাড়ির সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে। মাধুরীর এই লুক প্রমাণ করে, ট্রেন্ড বদলালেও শাড়ির এলিগ্যান্স কখনো পুরোনো হয় না।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/156643