বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি এমন একটা দল যা বলে তা করে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আপনাদের অনেকের সাথে ১১ বার জেল খেটেছি। আমিও সাড়ে ৩ বছর জেল খেটেছি কেন ? কারণ একটাই আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য এবং দেশকে উন্নত করার জন্য।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার ভেলাজান ফাযিল মাদ্রাসার পাশের মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের দুইটা সুসংবাদ দিয়েছেন। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করবে। এর আগেও এ কাজটি করা হয়েছিল।

২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করে দেওয়া হয়েছিলো। আর মা বোনদের জন্য, যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন, টাকা নিয়েছেন তাদের কথা বলেছেন কিস্তির টাকা উনি শোধ করে দেবেন, অর্থাৎ সরকার শোধ করে দেবে। বেকার যারা রয়েছেন, চাকরি পাচ্ছে না তাদের জন্য বলেছেন। দেড় বছরের মধ্যে এসব ছেলে মেয়েদের চাকরির ব্যবস্থা করবেন। বিএনপি কথায় বিশ্বাসী নয়, কাজে বিশ্বাস করে।

ফ্যামিলি কার্ড মা বোনদের জন্য একটি নতুন অস্ত্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, মা-বোনেরা ফ্যামিলি কার্ড এর মাধ্যমে ন্যয্যমূল্যে চাল, ডাল, লবণসহ নিত্য প্রয়োনজীয় জিনিসপত্র নিতে পারবেন। আর হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারবেন, বাচ্চাকে স্কুলে দিতে পারবেন। একইসাথে কৃষিকার্ড দিয়ে কৃষকেরা সার, বীজ, সেচ এই তিনটিই ন্যয্যমূলে পাবেন। আমরা বরেন্দ্রের পানির কথা বলেছিলাম, আমরা নিয়ে এসেছিলাম।

ইদানিং কিছু টিউবওয়েলে সমস্যা দেখা দিয়েছে সেগুলোকে এই ১৭ বছর নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সেগুলো আমরা সচল করবো এবং সবাই যেন পানি ঠিকমতো পান সে ব্যবস্থা করবো। ঠাকুরগাঁওয়ে আগামী দিনের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি জয়লাভ করতে পারলে, দায়িত্ব যদি পাই তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইপিজেড এগুলো তৈরি করা আমার প্রধান কাজ হবে।

আমি বিশ্বাস করি এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যদিয়ে আমাদের এ এলাকার উন্নয়ন হবে। চাকরির ব্যবস্থা হবে এবং আমাদের যা কৃষিভিত্তিক সমাজ সেটাকে কৃষিভিত্তিক শিল্পে পরিণত করতে পারবো। এটা আমার শেষ নির্বাচন, এর পর আমার আর বয়স থাকবে না। তাই আমি সকলের কাছে আবেদন জানাবো আপনারা আমাকে আগের মতই সহযোগিতা করে ধানের শীষে ভোট দেবেন।

নির্বাচনি জনসভায় জেলা বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন নেতা, কর্মী, সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের পাহারভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/156081