ছাদখোলা বাসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে সংবর্ধনা

ছাদখোলা বাসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে সংবর্ধনা

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীতে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ছাদখোলা বাসে চড়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন শান্ত-মুশফিকরা। এসময় ক্রিকেটপ্রেমী রাজশাহীর মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় তাদের বরণ করে নেন। বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালেই রাজশাহী আসে টিম ওয়ারিয়র্স।

সকাল সাড়ে ১০টায় ক্রিকেটাররা রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম (র.) বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল ছাদখোলা বাস। ক্রিকেটাররা বিপিএল ট্রফি নিয়ে ছাদখোলা বাসে ওঠেন। এরপর পুলিশ স্কটে ছাদখোলা বাসটিকে শহরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বাসের সামনে ছিলেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মালিক নাবিল গ্রুপের শীর্ষ কর্তারা।

এছাড়া বিপুল সংখ্যক ক্রিকেটপ্রেমি মোটরসাইকেল নিয়ে বাসটিকে ঘিরে ছিল। তাদের হাতে হাতে ছিল ‘গর্বের জয়’ ‘বীরের শহর’, ‘জয় এসেছে কাপ উঠেছে’ লেখা প্ল্যাকার্ড। আর ছাদখোলা বাসের সামনে লেখা ছিল, ‘কাপ আইসিছে বাড়িতে’।

ক্রিকেটারদের নিয়ে ছাদখোলা বাসটি বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক হয়ে আমচত্বর, বিমানচত্বর, রুয়েট ফ্লাইওভার হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে যায়। এসময় রাবি শিক্ষার্থীরা তাদের বরণ করে নেন ফুল ছিটিয়ে। অনেকে তাদের পরনের শার্ট, টি-শার্ট কিংবা সোয়েটার খুলে চালিয়ে দেন ক্রিকেটারদের দিকে।

সেটিতে অটোগ্রাফ দিয়ে ক্রিকেটাররা তা ফেরত দেন। মাঝে মাঝে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম বিপিএল ট্রফি উঁচু করে ধরেন। তখন বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ক্রিকেটপ্রেমিরা। তাদের সাথে শরীর দুলিয়ে বাসের ওপরেই নাচতে থাকেন শান্ত-মুশফিকরা।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে বাসটি তালাইমারী-সাহেববাজার হয়ে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের সামনে যায়। সেখানেও শিক্ষার্থীরা বাসটিকে ঘিরে ধরে ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা জানান। একই অবস্থা ছিল রাজশাহী কলেজের সামনেও। পরে বাসটি ক্রিকেটারদের নিয়ে শহরের লক্ষ্মীপুর ঘুরে দড়িখড়বোনা-রেলগেট-আমচত্বর হয়ে পবায় নাবিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে যায়।

ছাদখোলা বাসে ক্রিকেটাররা শহর প্রদক্ষিণের সময় পথে পথে বহু মানুষ হাত উঁচিয়ে তাদের সংবর্ধনা জানান। অনেকে ক্রিকেটারদের সাথে দূর থেকেই সেলফি তুলে মুহূর্তটি ধরে রাখেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/155403