নির্বাচন গেলে নাকি আমাদের অবস্থা দেখে নেবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
নির্বাচন গেলে নাকি আমাদের অবস্থা দেখে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তরুণ প্রজন্ম কি বসে থাকবে? এই তরুণ প্রজন্ম হাসিনাকে ভয় পায়নি, এই তরুণ প্রজন্ম হাসিনার কামান-পেট্রোলকে দুই টাকার দাম দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন যদি কেউ মনে করে অপার সম্ভাবনাময় এই তরুণ প্রজন্মকে আবার কামান দিয়ে, কিংবা পুলিশ দিয়ে, মিলিটারি দিয়ে, পেট্রোল দিয়ে দমন করা হবে, তাহলে তারা ইতিহাসের ভুল প্রান্তে অবস্থান করছে।’
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদের নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সন্তান শামিম সাঈদী। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ইসহাক মিয়া।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখে আপনারা যারা আছেন প্রত্যেকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়বেন। আপনারা সবাই ভোট দিতে যাবেন। ভোটের ফলাফল নিয়ে বাড়িতে আসবেন। কোনো চাঁদাবাজ, কোনো টেন্ডারবাজ নেতাদের হাতে ভোটকেন্দ্র দখল দিতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়েরা যারা আছেন, সকালবেলায় ভোটকেন্দ্রে চলে যাবেন। আপনাদেরকে যারা ভয় দেখাতে আসে, তারা মূলত ভয় পেয়ে গেছে এই কারণেই আপনাদেরকে ভয় দেখাতে আসে।’
ভোটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের মায়েদেরকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রগুলোতে পাহারা দিব। আমাদের ভোট এবার অবশ্যই আমরা দেব। কেউ যদি আমাদের বিরুদ্ধেও ভোট দিতে চায়, সে যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে সেইটার ব্যবস্থা আমরা করব।
তিনি বলেন, ‘প্রিয় বাউফলবাসী, এই তরুণ প্রজন্মকে বারবার ব্যবহার করে শাসকগোষ্ঠী বারবার ক্ষমতায় গিয়েছে। এই তরুণ প্রজন্মের রক্ত, এই রক্তমাখা ক্ষমতা, রক্তমাখা গদি এই শাসকগোষ্ঠীর অনেক পছন্দ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন থেকে পলিসি নির্ধারণে অংশগ্রহণ করব। অতীতে যেটা হতো সংসদে গিয়ে মানুষ চুরি করত, সংসদ সদস্য সংসদে যাওয়ার পর চোর হতো, টেন্ডারবাজ হতো, লাইসেন্স নিজের নামে নিয়ে চুরি করত। আর এবার দেখলাম একটা দলের ৪৫ জন চোরকে আবার সংসদে ঢুকাচ্ছে।’