বিপিএলে সিলেটের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
স্পোর্টস ডেস্ক : বিপিএলজুড়ে নানা ঘটনায় আলোচনায় থাকা সিলেট টাইটানসের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরী রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ১২ রানে হারের পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর কিছুক্ষণ পর ফেসবুক লাইভে এসে ফাহিম অভিযোগ করেন, দলের এক ক্রিকেটারের ‘বেইমানির’ কারণেই সিলেট টাইটানস ফাইনালে উঠতে পারেনি। তবে তিনি ওই ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি।
ফেসবুক লাইভে তাঁর বলা কথাগুলো হুবুহু তুলে দেওয়া হলো—
প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় সিলেটবাসী, আমি আপনাদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাচ্ছি। আজকের ম্যাচটি ভীষণভাবে কলুষিত হয়েছে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য ও প্রমাণাতীত তথ্য এসেছে, ম্যাচের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি নিজেকে বিক্রি করেছে। সে আমাদের সঙ্গে মিথ্যা বলেছে, সিলেটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং সিলেট টাইটানসের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, সিলেটের মানুষের আবেগের সঙ্গে সে নিষ্ঠুরভাবে বেইমানি করেছে। এর কোনো দরকারই ছিল না। সে চাইলে আমাকে বলতেই পারত, তাঁর কত টাকা প্রয়োজন। তা দেওয়া হয়ে যেত। এই সত্য আমাকে ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনা আমি এখানেই থামতে দেব না, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং দায়ীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকের হারটা ছিল পুরো একটা বেইমানির সঙ্গে হার। যাঁরা ম্যাচটা দেখেছেন, আমি আপনাদেরকে আবারও বলবো, আপনারা অনেকে বুঝে গেছেন আমি কী বলতে চাচ্ছি। আপনারা সবাই ভালো থাকেন। এতটুকু আপনাদেরকে জানালাম এই হারটা আমাদের হার ছিল না, এই হারটা হচ্ছে পুরোপুরি কম্প্রোমাইজড। এটা ফিক্সিং ছিল, বেইমানী করা হয়েছে সিলেটের সঙ্গে।
তবে মানুষটা ভুল করে ফেলছে, সে ভুল জায়গায় হাত দিয়েছে। সে আমাদের সিলেটের আবেগের সঙ্গে হাত দিয়ে দিয়েছে। এই বিপিএল–টিপিএল সবকিছুই যে একটা বেইমানী, একটা জুয়ার ব্যবসা, এটা আমি আগে থেকে জানতাম। কিন্তু আমাদের সঙ্গে, আমাদের খেলোয়াড়রা সবাই কিন্তু আজকে ডিমোরালাইজড হয়ে গেছে। পুরা সিলেটের সিলেটের মানুষকে কান্না করানো হয়েছে বেইমানের কারণে। আমি কিন্তু তাকে এত সহজভাবে আমি তাকে ছাড় দেব না। ভালো থাকেন আপনারা।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/154799