বগুড়ার তিনটি আসন থেকে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ বুধবার

বগুড়ার তিনটি আসন থেকে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ বুধবার

স্টাফ রিপোর্টার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বগুড়ার ৭টি আসনের মধ্যে ৩টি আসনের ৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি এবং নাগরিক ঐক্যর মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মীর শাহে আলম এবং নাগরিক ঐক্য প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়া তিন প্রার্থীরা হলেন-বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাদী আলম লিপি, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তৌহিদুল ইসলাম এবং বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম ও কাহালু) আসনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) কামরুল হাসান মো. শাহেদ ফেরদৌস।

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে আজ প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। এদিকে প্রতীক বরাদ্দের আগে কোন প্রচারনা  না করতে পারলেও প্রার্থীরা কৌশলে হ্যাঁ ভোট প্রার্থনা করে প্রচারনা চালাচ্ছে।  এবার প্রচারনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবারের নির্বাচন অন্য সময়ের মত হচ্ছে না।

এক সময় বাড়ির বাইরে দেয়ালে, রাস্তায়, বাজারে যেদিকে চোখ যায় সবদিকে প্রার্থীদের নাম-দল-মার্কাওয়ালা পোস্টার দেখা গেছে। আকাশের দিকে তাকালেই দেখা যেত পোস্টার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা দেখলেই বোঝা যেত দেশে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে।

প্রার্থীর পরিচয় ও যোগ্যতা তুলে ধরার অন্যতম উপায় হিসেবে বিবেচিত হয় পোস্টার। কিন্তু আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন বা ইসি। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না প্রার্থীরা।

লিফলেট আর ব্যানারে থাকতে পারবে না প্রার্থী ও দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কারো ছবি, প্রচারণায় ব্যবহার করা যাবে না হেলিকপ্টার। তবে রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হলে শুধু তারাই পারবেন হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে। এবার প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনের প্রচারণায় যেমন বেশ কিছু ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

তেমনি প্রথম বারের মতো এক টেলিভিশন সংলাপেরও আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব পরিবর্তন আগেই এনেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে, তফসিল ঘোষণার পর এবার আইন মানতে বেশ কঠোরতাও দেখাচ্ছে ইসি। নির্বাচনী প্রচারনায় এবার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার করা যাবে বলেন নিয়ম করা হয়েছে। সেইসাথে অতিরিক্ত মাইক ব্যবহার করে প্রচার করা যাবে না। ৬০  ডেসিবলের বেশি আওয়াজ করা যাবে না।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/154628