গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে শিক্ষিকার গাল কাটা ঘটনায় প্রাক্তন স্বামী গ্রেফতার
সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার শারমিন সুলতানা (৩৭) নামের এক শিক্ষিকাকে হত্যার চেষ্টায় তার গাল কেটে দিয়েছে প্রাক্তন স্বামী আতাউর রহমান। এ ঘটনায় থানায় একটি এজাহার দাখিল হলে আসামি আতাউরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শয্যায় আহত শারমিন সুলতানা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। শারমিন সুলতানা উপজেলার নলডাঙ্গার মৃত বজলার রহমান মন্ডলের মেয়ে ও জুনিদপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষিকা।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের চক নারায়ণ গ্রামের আমজাদ আলী মন্ডলের ছেলে আতাউর রহমানের সাথে শারমিন সুলতানার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দু’টি ছেলে সন্তান রয়েছে। আতাউর রহমান বিভিন্ন অজুহাতে শারমিন সুলতানাকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করায় ২ বছর আগে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। এরপর বাবার বাড়ি থেকে শারমিন ওই মাদ্রাসায় গিয়ে পাঠদান করতেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে আতাউর রহমান মাদ্রাসায় গিয়ে শারমিনকে গালিগালাজ করাসহ মারধরের চেষ্টা করলে সহকারী শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এতে আতাউর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে বিকেলে নলডাঙ্গার শামিম মিয়ার দোকানের সামনে শারমিনের ছেলে শাকিবুল হাসান সিহাবকে (১১) মারপিট করে। এ সংবাদ পেয়ে শারিমন এগিয়ে গেলে তাকেও মারপিট করার পর ধারালো কাচি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ডান কানের নিচে গাল কেটে দেয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভুক্তভোগী শারমিন সুলতান বলেন, আতাউর রহমানের সাথে বিয়ে বিচ্ছেদ হওয়ার পরও আমাকে প্রায়ই হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এতে দুই সন্তান নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। সাদুল্লাপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুজন সরকার বলেন, বাদি শারমিনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামি আতাউর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/152958