সিরাজগঞ্জে শীতে পোল্ট্রি খামারীরা বিপাকে ডিমের উৎপাদন কমে গেছে
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: উত্তরের হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে মানুষসহ হাস মুরগিগুলো রীতিমতো কাবু হয়ে পড়েছে। জেলার পোল্ট্রি খামারগুলো চট-ছালা কিংবা পুরানো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। প্রচন্ড শীতের কারণে খামারগুলোতে ডিমের উৎপাদন ৫ থেকে ১০ ভাগ উৎপাদন কমে গেছে। এছাড়া খামারগুলোতে শীতজনিত নানা রোগ বালাই দেখা দিয়েছে।
এঅবস্থায় ডিমের উৎপাদন কমে যাওয়ায় খামারীরা পড়েছে বিপাকে। জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার বিভিন্ন ধরনের পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এই সব খামারে যে ডিম ও মাংস উৎপাদন হয় তা জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ অন্য জেলায় সরবরাহ করা হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ এ্যাসোসিয়েশন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহফুজ উর রহমান জানান, তীব্র শীতে আমরা খামার নিয়ে বিপাকে পড়েছি। কনকনে শীতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এতে মুরগির নানা ধরনের শীতজনিত রোগ বালই দেখা দিয়েছে। ডিমের উৎপাদন কমেছে ৫ থেকে ১০ ভাগ। এতে খামারীরা পড়েছে বিপাকে।
এব্যপারে সিরাজগঞ্জে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আনোয়ারুল হক জানান, ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পেতে খামারগুলো কাপড়, ছালা বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পরমর্শ দেয়া হয়েছে। মুরগিকে পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খাবার দেয়ার পরামর্শও দেয়া হয়েছে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/152763