মাঠ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিল ইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই কার্যক্রম আগামীকাল শেষ হবে। এরপর বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৩০ ডিসেম্বর শুরু হওয়া যাচাইবাছাই ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হবে, তারা ৫ থেকে ১১ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি, ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দলের ২ হাজার ৯০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪৭৮ জন। সব মিলিয়ে ৩০০ আসনে আড়াই সহস্রাধিক মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এখন চলছে যাচাইবাছাই, যা শেষ হবে ৪ জানুয়ারি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ‘মনোনয়নপত্র দাখিলের পর যাচাইবাছাই শুরু হয়েছে। এখন থেকে আইন অনুযায়ী ধাপে ধাপে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। আচরণবিধি প্রতিপালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’
ইসি কমিশনার বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে, এখন বাছাই চলছে। এ সময় আচরণবিধি যাতে শতভাগ মানা হয়, সে বিষয়ে মাঠ প্রশাসনকে আমরা নিয়মিত তাগিদ দিচ্ছি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো শৈথিল্যের সুযোগ নেই।’
তিনি জানান, তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত রাস্তাঘাটে বড় ধরনের পোস্টার, ব্যানার বা বিলবোর্ড চোখে পড়ছে না, যা ইতিবাচক দিক। রাজনৈতিক দলগুলোও নির্বাচন কমিশনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমানে ইসির নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫৯। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।
এদিকে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৩৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এসব আসনে আজ রিটার্নিং অফিসাররা যাচাইবাছাই শেষে কোনটি বৈধ ও কোনটি বাতিল, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/152495