নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ঢাকা-১১ আসন থেকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। দাখিলকৃত এই হলফনামায় তিনি তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, পেশা এবং আয়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।
হলফনামায় ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত যোগ্যতায় নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন, তার বর্তমান বয়স ২৭ বছর। বাবার নাম মো. বদরুল ইসলাম জমির এবং মায়ের নাম মমতাজ নাহার। বর্তমানে তিনি রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় বসবাস করছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (সম্মান)। পেশা ও আয় হলফনামায় নাহিদ ইসলাম নিজেকে একজন পরামর্শক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস পরামর্শক পেশা, যেখান থেকে তিনি বছরে ১৬ লাখ টাকা আয় করেন। তার স্ত্রী ফাতিমাতুজ জোহরা একজন গৃহিণী এবং তার কোনো নিজস্ব আয়ের উৎস উল্লেখ করা হয়নি।
হলফনামা অনুযায়ী, নাহিদ ইসলামের কোনো স্থাবর সম্পদ (জমি বা বাড়ি) নেই। তবে তার উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।নগদ টাকার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, তার কাছে নগদ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে এবং তার স্ত্রীর নামে আছে ২ লাখ টাকা।
ব্যাংক জমার তথ্যে বলা হয়েছে, রমনা কর্পোরেট শাখায় সোনালী ব্যাংকে জমা আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা।স্বর্ণালংকারে বিষয়ে বলা হয়েছে : নাহিদ ইসলামের নিজের নামে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে আছে ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার। এছাড়া তার এক লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক পণ্য এবং এক লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, নাহিদ ইসলামের অর্জনকালীন মোট সম্পত্তি ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া তার স্ত্রীর অর্জনকালীন সম্পত্তির পরিমাণ ১২ লাখ, যা বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা।
আয়কর ও দায় তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫-২০২৬ কর বছরে নাহিদ ইসলাম ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর দিয়েছেন। তার আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। ব্যক্তিগতভাবে তার কোনো ঋণ নেই, তবে তার স্ত্রী ফাতিমাতুজ জোহরার নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক রামপুরা শাখায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি ঋণ রয়েছে। এছাড়া হলফনামায় আইনি ও রাজনৈতিক রেকর্ডে নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং অতীতেও তিনি কোনো মামলায় অভিযুক্ত হননি। তিনি এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/152305