সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অসহায় নারীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৫, ২০২২, ০৪:০৮ দুপুর
আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০২২, ০৪:০৮ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

সাহাদত জামান, সারিয়াকান্দি বগুড়া: বগুড়া সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা (রাঃ) নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন গ্রামের বাল্য বিয়ের শিকার, স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা অবহেলিত নারীরা। প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে বিভিন্ন চাকরিতে যোগদান করে তারা সংসারের সচ্ছলতা এনে দিয়েছেন।

রাজশাহী গোদাগারী আগলপুরের মোজারুল ইসলাম আলেপের মেয়ে নীলা খাতুন। এ বছরের জানুয়ারি মাসে নিজের অমতে তার বিয়ে হয়। এতে তিনি এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। স্বামীর সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে না পেরে কয়েকমাস পরই নীলা বাপের বাড়ি চলে আসেন। বাবার সংসারে বোঝা হয়ে না থেকে নীলা স্বনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তার বান্ধবীদের কাছে সারিয়াকান্দি নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কথা শুনে তিনি তার পরিবারের কাছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে প্রশিক্ষণ নেয়ার প্রস্তাব দেন। পরিবারের সম্মতি না পাওয়ায় সে পালিয়ে এখানে এসেছেন প্রশিক্ষণ নিতে।

এখন তিনি এ নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইলেকট্রিক্যাল হাউজওয়ারিং কোর্সে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। নীলা গৃহের বিদ্যুতের সকল প্রকার ওয়ারিং এর কাজ করতে পারেন। প্রশিক্ষণের পর তিনি চাকরি পাওয়ার শতভাগ আশাবাদী। শুধু নীলাই নন, এখানে এখন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন গ্রামীণ অবহেলিত ৫০ জন নারী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার উচমাডাঙা গ্রামের পবিত্রা মুরমার ২০১৭ সালে বিয়ে হয়েছিল। তখন পবিত্রা ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

তার ৩ বছরের ১ টি মেয়ে আছে। ২০২১ সালে তার ডিভোর্স হয়। মেয়ে এখন তার দাদীর বাড়িতে। পবিত্রা এখানে মোটরসাইকেল মেকানিকের ছাত্রী। তিনি এখন একটি নষ্ট হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলের সবকিছুই মেরামত করতে পারেন। শিখেছেন রিং পিস্টোনের কাজ। এরকম হাজারো নারী এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে নিজে চাকরি করে তার সংসারের হাল নিজেই ধরেছেন।
পবিত্রা মুরমা বলেন, বিবাহ বিচ্ছেদের পর একেবারেই ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করার পরিকল্পনা করেছিলাম। যাহোক এখানে এসে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এখন আমি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ট্রেনিং শেষেই চাকরি পাব। চাকরি করে আমার পরিবারকে প্রমাণ করে দেব মেয়েরাও পারে। আমার সংসারের অনটন আমি মেয়ে হয়েই ঘুচাতে চাই।
২০০৮ সালে ৮ম শ্রেণিতে পড়ার সময়েই বাল্যবিয়ের শিকার হন নাসরিন জাহান। কয়েকবছর সংসার করার পর পারিবারিক কলহের জন্য তিনি স্বামী পরিত্যক্তা হন। ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া তার একটি ছেলেও আছে। ২০১৭ সালে তিনি সারিয়াকান্দির নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি এখন রংপুর একটি সাইকেলের কারখানায় চাকরি করছেন। তিনি এখন ১২ হাজার ৬০০ টাকা বেতন পান। নাসরিন এখন স্বাবলম্বী। 
এ বছর তুলনামূলকভাবে আদিবাসী নারীরা বেশি ভর্তি হয়েছেন ট্রেনিং নিতে। ট্রেনিং সেন্টারটির ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর  ৩০ জনই আদিবাসী। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ এবং দিনাজপুর জেলা হতে এসেছেন। আদিবাসী নারীরা সাঁওতাল, মুরমা, ওঁরাও এবং পাহান বংশের অধিবাসী।

২০০০ সালের ১ জানুয়ারি সারিয়াকান্দিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করে মা ফাতেমা মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ২০০৬ সালে কেন্দ্রটি রাজস্ব খাতের অন্তর্ভুক্তি লাভ করে। ২০১৪ সালের ১১ জুলাই সাবেক সাংসদ আব্দুল মান্নান গ্রামীণ অবহেলিত মহিলাদের জন্য সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা (রাঃ) মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উদ্বোধন করেন সি এন জি চালিত থ্রি হুইলার ড্রাইভিং এবং মোটর সাইকেল মেকানিক প্রশিক্ষণ কোর্স। তখন থেকেই কেন্দ্রটিতে গ্রামীণ দরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্ত, বাল্যবিয়ের শিকার মহিলাদের বিভিন্ন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে ইউসেপ বাংলাদেশ। 

২০১৪ সালে ১১৯ জন নারী প্রশিক্ষণ শেষ করে চাকরি পেয়েছেন ৫৩ জন। ২০১৫ সালে ১৮২ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১৩২ জন। ২০১৬ সালে ১৯৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১৪৪ জন। ২০১৮ সালে ১৩৮ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১১০ জন। ২০২০ সালে ১৪৭ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১২১ জন। অনেক অসহায় নারীরা এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে স্বনির্ভর হয়েছেন। এ পর্যন্ত কেন্দ্রটি হতে ১ হাজার  ৯০ জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ২০২১ সালে ১৩৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ৯৭ জন নারী। 

৩ মাসের প্রশিক্ষণ সময়ে থাকা খাওয়া ফ্রি সহ ৯০০ টাকা প্রশিক্ষণকালীন ভাতা পান প্রশিক্ষণার্থীরা। কেন্দ্রটির ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ জনবল কাঠামো  ১৩ জন। বিশ্বব্যাপী করোনাকালীন মহামারির সময়ে গত ২১ মার্চ ২০২০ সাল হতে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে স্বল্প পরিসরে পুনরায় ইউসেপ বাংলাদেশ এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এর কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। মোটরসাইকেল সার্ভিসিং, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স এবং ইলেক্ট্রিশিয়ান ৩ টি ট্রেড এ বর্তমানে এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন ৫০ জন গ্রামীণ অবহেলিত নারী। এদের মধ্যে মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ১০ জন, কনজিউমার ইলেকট্রনিক্সে ২০ জন এবং ইলেক্ট্রিশিয়ান এ রয়েছেন ২০ জন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা পারভিন নাহার বলেন, সারাদেশ থেকে আসা গ্রামীণ অবহেলিত নারীরা এখানে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ার কারণে আমরা বেশি নারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারছি না। 

সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অসহায় নারীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন
সাহাদত জামান, সারিয়াকান্দি বগুড়া: বগুড়া সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা (রাঃ) নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন গ্রামের বাল্য বিয়ের শিকার, স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা অবহেলিত নারীরা। প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে বিভিন্ন চাকরিতে যোগদান করে তারা সংসারের সচ্ছলতা এনে দিয়েছেন।

রাজশাহী গোদাগারী আগলপুরের মোজারুল ইসলাম আলেপের মেয়ে নীলা খাতুন। এ বছরের জানুয়ারি মাসে নিজের অমতে তার বিয়ে হয়। এতে তিনি এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। স্বামীর সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে না পেরে কয়েকমাস পরই নীলা বাপের বাড়ি চলে আসেন। বাবার সংসারে বোঝা হয়ে না থেকে নীলা স্বনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তার বান্ধবীদের কাছে সারিয়াকান্দি নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কথা শুনে তিনি তার পরিবারের কাছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে প্রশিক্ষণ নেয়ার প্রস্তাব দেন। পরিবারের সম্মতি না পাওয়ায় সে পালিয়ে এখানে এসেছেন প্রশিক্ষণ নিতে। এখন তিনি এ নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইলেকট্রিক্যাল হাউজওয়ারিং কোর্সে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

নীলা গৃহের বিদ্যুতের সকল প্রকার ওয়ারিং এর কাজ করতে পারেন। প্রশিক্ষণের পর তিনি চাকরি পাওয়ার শতভাগ আশাবাদী। শুধু নীলাই নন, এখানে এখন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন গ্রামীণ অবহেলিত ৫০ জন নারী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার উচমাডাঙা গ্রামের পবিত্রা মুরমার ২০১৭ সালে বিয়ে হয়েছিল। তখন পবিত্রা ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। তার ৩ বছরের ১ টি মেয়ে আছে। ২০২১ সালে তার ডিভোর্স হয়। মেয়ে এখন তার দাদীর বাড়িতে। পবিত্রা এখানে মোটরসাইকেল মেকানিকের ছাত্রী। তিনি এখন একটি নষ্ট হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলের সবকিছুই মেরামত করতে পারেন। শিখেছেন রিং পিস্টোনের কাজ। এরকম হাজারো নারী এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে নিজে চাকরি করে তার সংসারের হাল নিজেই ধরেছেন।
পবিত্রা মুরমা বলেন, বিবাহ বিচ্ছেদের পর একেবারেই ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করার পরিকল্পনা করেছিলাম। যাহোক এখানে এসে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। এখন আমি আত্মনির্ভরশীল হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ট্রেনিং শেষেই চাকরি পাব। চাকরি করে আমার পরিবারকে প্রমাণ করে দেব মেয়েরাও পারে। আমার সংসারের অনটন আমি মেয়ে হয়েই ঘুচাতে চাই।
২০০৮ সালে ৮ম শ্রেণিতে পড়ার সময়েই বাল্যবিয়ের শিকার হন নাসরিন জাহান। কয়েকবছর সংসার করার পর পারিবারিক কলহের জন্য তিনি স্বামী পরিত্যক্তা হন। ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া তার একটি ছেলেও আছে। ২০১৭ সালে তিনি সারিয়াকান্দির নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি এখন রংপুর একটি সাইকেলের কারখানায় চাকরি করছেন।

তিনি এখন ১২ হাজার ৬০০ টাকা বেতন পান। নাসরিন এখন স্বাবলম্বী। 
এ বছর তুলনামূলকভাবে আদিবাসী নারীরা বেশি ভর্তি হয়েছেন ট্রেনিং নিতে। ট্রেনিং সেন্টারটির ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর  ৩০ জনই আদিবাসী। তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ এবং দিনাজপুর জেলা হতে এসেছেন। আদিবাসী নারীরা সাঁওতাল, মুরমা, ওঁরাও এবং পাহান বংশের অধিবাসী।

২০০০ সালের ১ জানুয়ারি সারিয়াকান্দিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করে মা ফাতেমা মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ২০০৬ সালে কেন্দ্রটি রাজস্ব খাতের অন্তর্ভুক্তি লাভ করে। ২০১৪ সালের ১১ জুলাই সাবেক সাংসদ আব্দুল মান্নান গ্রামীণ অবহেলিত মহিলাদের জন্য সারিয়াকান্দি মা ফাতেমা (রাঃ) মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উদ্বোধন করেন সি এন জি চালিত থ্রি হুইলার ড্রাইভিং এবং মোটর সাইকেল মেকানিক প্রশিক্ষণ কোর্স। তখন থেকেই কেন্দ্রটিতে গ্রামীণ দরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্ত, বাল্যবিয়ের শিকার মহিলাদের বিভিন্ন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে ইউসেপ বাংলাদেশ। 

২০১৪ সালে ১১৯ জন নারী প্রশিক্ষণ শেষ করে চাকরি পেয়েছেন ৫৩ জন। ২০১৫ সালে ১৮২ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১৩২ জন। ২০১৬ সালে ১৯৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১৪৪ জন। ২০১৮ সালে ১৩৮ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১১০ জন। ২০২০ সালে ১৪৭ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ১২১ জন। অনেক অসহায় নারীরা এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে স্বনির্ভর হয়েছেন। এ পর্যন্ত কেন্দ্রটি হতে ১ হাজার  ৯০ জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ২০২১ সালে ১৩৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ৯৭ জন নারী। 
৩ মাসের প্রশিক্ষণ সময়ে থাকা খাওয়া ফ্রি সহ ৯০০ টাকা প্রশিক্ষণকালীন ভাতা পান প্রশিক্ষণার্থীরা। কেন্দ্রটির ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ জনবল কাঠামো  ১৩ জন। বিশ্বব্যাপী করোনাকালীন মহামারির সময়ে গত ২১ মার্চ ২০২০ সাল হতে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে স্বল্প পরিসরে পুনরায় ইউসেপ বাংলাদেশ এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এর কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। মোটরসাইকেল সার্ভিসিং, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্স এবং ইলেক্ট্রিশিয়ান ৩ টি ট্রেড এ বর্তমানে এখানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন ৫০ জন গ্রামীণ অবহেলিত নারী। এদের মধ্যে মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ১০ জন, কনজিউমার ইলেকট্রনিক্সে ২০ জন এবং ইলেক্ট্রিশিয়ান এ রয়েছেন ২০ জন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা পারভিন নাহার বলেন, সারাদেশ থেকে আসা গ্রামীণ অবহেলিত নারীরা এখানে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়েছেন। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ার কারণে আমরা বেশি নারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারছি না। 

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়